
কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ ইরান–যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা, কিছু অগ্রগতির ইঙ্গিত
ইরানে সম্ভাব্য মার্কিন হামলা এড়ানোর মতো কোনো চূড়ান্ত সমাধান হয়নি।

ইরানে সম্ভাব্য মার্কিন হামলা এড়ানোর মতো কোনো চূড়ান্ত সমাধান হয়নি।

ইসলামাবাদে ২১ ঘণ্টা আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের কোনো সমঝোতা হয়নি। ভ্যান্স ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, চুক্তি না হলে তেহরানের জন্য আরও খারাপ পরিণতি অপেক্ষা করছে। আলোচনা চলাকালে মার্কিন প্রতিনিধিদল নিয়মিত প্রেসিডেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিল।

আজ শুক্রবার চুক্তি–পরবর্তী পদক্ষেপগুলো নিয়ে এই আলোচনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

সম্প্রতি ঢাকায় আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স (অ্যামচেম) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাক্ষরিত তথাকথিত বাণিজ্যচুক্তির পক্ষে যে বক্তব্য দেন, তার অনুবাদ মুক্তকণ্ঠ ২০ মে প্রকাশ করেছে।

দুই দেশ চুক্তির ‘দ্বিতীয় ধাপের’ দিকে এগোচ্ছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, চুক্তির আওতায় ইরান অর্থনৈতিক সুবিধা পাবে কি না, তা নির্ভর করবে দেশটি তার প্রতিশ্রুতি কতটা পূরণ করছে তার ওপর।

ইরান যুদ্ধ শেষ করতে চীনের সাহায্যের দরকার নেই বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ জোরদার করেছে এবং পাকিস্তান, ইরাকের সঙ্গে চুক্তি করেছে। অন্য দেশগুলোও এখন ইরানের সঙ্গে চুক্তির উপায় খুঁজছে।

চুক্তিটির আওতায় ইন্দোনেশিয়া ৯৯ শতাংশের বেশি মার্কিন পণ্য আমদানিতে বাণিজ্যিক বাধা কমাবে। সেই সঙ্গে ৩০ বিলিয়ন ডলারের বেশি মার্কিন পণ্য কেনার ব্যবস্থা করবে ইন্দোনেশিয়া।

সি চিন পিং ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠকে ইরান, তাইওয়ান ও বাণিজ্য নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, দুই দেশের ‘অনেক ভিন্ন ভিন্ন সমস্যার’ সমাধান করা হয়েছে। তবে সংবেদনশীল ইস্যুগুলোতে সুনির্দিষ্ট চুক্তি হয়নি।

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে হওয়া বাণিজ্যচুক্তি বাস্তবায়ন এবং যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ হয়ে পড়া বাংলাদেশের নাগরিকদের দ্রুত ফেরানোর বার্তা দিয়ে গেছেন সহকারী মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের ওপর যে পাল্টা শুল্ক আরোপ করেছিলেন, তা গত শুক্রবার মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট অবৈধ ঘোষণা করেছেন

যুক্তরাষ্ট্র যে ভারতের পণ্যে অতিরিক্ত বা শাস্তিমূলক শুল্ক আরোপ করেছিল, তা প্রত্যাহার করা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই চুক্তি দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্কে নতুন গতি আনবে।