
বিদ্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৭৫ জনেরও বেশি শিশু শিক্ষার্থী ও শিক্ষক নিহত হন
মিনাবের স্কুলে হামলার পর মার্চ মাসে বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত সূত্রের বরাতে রয়টার্স বলেছিল, ওই হামলা সম্ভবত যুক্তরাষ্ট্রের পুরোনো টার্গেটিং তথ্য ব্যবহারের ফলাফল ছিল।

মিনাবের স্কুলে হামলার পর মার্চ মাসে বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত সূত্রের বরাতে রয়টার্স বলেছিল, ওই হামলা সম্ভবত যুক্তরাষ্ট্রের পুরোনো টার্গেটিং তথ্য ব্যবহারের ফলাফল ছিল।

মাত্র ১৫ সপ্তাহ আগে সবচেয়ে আত্মবিশ্বাসী ঘোষণা দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ ছাড়া ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তি হবে না।’

এরই মধ্যে ৭৬ বছর বয়সী নেতানিয়াহু অক্টোবরের নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। জনমত জরিপে এবারের নির্বাচনে তাঁর ডানপন্থী জোটের পরাজয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

২ মার্চ থেকে ইসরায়েলের হামলায় লেবাননে ৩ হাজার ৬০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের সময় আজারবাইজানসহ মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে গোপনে সেনাবাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার বিশেষ ইউনিটের সদস্যদের মোতায়েন করেছিল ইসরায়েল।

কিছুদিন আগে একই ধরনের আরেক হামলায় তাঁর পূর্বসূরিও নিহত হয়েছেন।

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে প্রায় ৫০ হাজার সেনা মোতায়েন করেছে। যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও সতর্কতা বজায় রেখেছে মার্কিন বাহিনী। ট্রাম্প শর্ত মেনে নিলে যুদ্ধ শেষ করবেন বলেছেন।

ইসরায়েলের প্রধান শত্রু হিসেবে ইরানের জায়গা নেবে পাকিস্তান অথবা তুরস্ক।

এই ৪০ দিনে হামলা-পাল্টাহামলার মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া তথ্যের বন্যা দেখার কথা জানিয়েছে বিবিসি। বাংলাদেশভিত্তিক তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠানগুলোও মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধের মধ্যে ছড়ানো ভুয়া তথ্যের দিকে নজর রাখে।

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের হাইফায় এক ভবন ধসে চারজন নিহত হয়েছেন। মধ্যাঞ্চলে গুচ্ছবোমা হামলায় আহত হয়েছেন কয়েকজন। যুদ্ধ শুরুর পর ইরান ৫০০-এর বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে।

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের কারণে সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মী পাঠানো ব্যাহত হয়েছে বলে সংসদে জানিয়েছেন প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি বিভিন্ন সংসদ সদস্যের প্রশ্নের জবাবে কর্মী রপ্তানি, নারী কর্মীদের নিরাপত্তা ও মালয়েশিয়ায় স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেন।

১৯৫৬ সালে সুয়েজ খালের জাতীয়করণ ছিল তেমনই এক সন্ধিক্ষণ, যা ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের পতনের ঘণ্টা বাজিয়ে দিয়েছিল। এই সংকট ব্রিটেনের আর্থিক দুর্বলতাকে নগ্ন করে দিয়েছিল। মার্কিন চাপের মুখে পাউন্ড স্টার্লিংয়ে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল। বৈশ্বিক রিজার্ভ মুদ্রা হিসেবে তার অবস্থান দ্রুত ক্ষয়ে গিয়েছিল। আর শেষ পর্যন্ত সাম্রাজ্যবাদী হাত গুটিয়ে আনা অনিবার্য হয়ে উঠেছিল।