
খুলনা বিভাগে চমক লাগানো ফল জামায়াতের, বিএনপির বিপর্যয়ের কারণ কী
খুলনা বিভাগের ১০ জেলার ৩৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে মাত্র ১১টি আসনে জয় পেয়েছে বিএনপি। বিপরীতে জামায়াতে ইসলামী জিতেছে ২৫টি আসনে। খুলনা বিভাগে আগে কখনো এত বেশি আসনে জামায়াত জয় পায়নি।

খুলনা বিভাগের ১০ জেলার ৩৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে মাত্র ১১টি আসনে জয় পেয়েছে বিএনপি। বিপরীতে জামায়াতে ইসলামী জিতেছে ২৫টি আসনে। খুলনা বিভাগে আগে কখনো এত বেশি আসনে জামায়াত জয় পায়নি।

এবারের নির্বাচনে ২৯৭ আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টিতে জয় পেয়েছে। তাদের শরিকেরা পেয়েছে ৩টি আসন।

নির্বাচনে ২৯৭ আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টিতে জয় পেয়েছে। তাদের শরিকেরা পেয়েছে ৩টি আসন।

নির্বাচনে ২৯৭ আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টিতে জয় পেয়েছে। তাদের শরিকেরা পেয়েছে ৩টি আসন।

সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে সিএমএম আদালত কারাগারে পাঠানোর পর আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সমর্থক আইনজীবীদের ‘জয় বাংলা’ স্লোগান নিয়ে হট্টগোল ও উত্তেজনা। দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি স্লোগানে আদালত চত্বরে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের শুভাঢ্যা ইউনিয়নে নির্বাচনী প্রচার ও গণসংযোগ করেন ঢাকা-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

১৯৯১ সালে বিএনপি ও জামায়াত একটি করে আসনে জয় পেয়েছিল। ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে দুটিতেই বিএনপির প্রার্থীরা জয় পান।

ভোলার চারটি আসনেই বিএনপি ও তাদের জোটের প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন। আজ শুক্রবার ভোর চারটার দিকে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শামীম রহমান বেসরকারিভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরার চারটি আসনেই জয় পেয়েছে জামায়াতে ইসলামী। জেলার সব আসনে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের পরাজিত করে জামায়াত মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন।

বিএনপির ‘দুর্গ’খ্যাত ঝিনাইদহের চারটি সংসদীয় আসনের মধ্যে তিনটিতেই জয় পেয়েছে জামায়াতে ইসলামী। শুধু ঝিনাইদহ–১ (শৈলকুপা) আসনে বিএনপি নেতা সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান জয়ী হয়েছেন।

ফরিদপুর-১ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এর আগে আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কোনো দলের প্রার্থীর জয়ের রেকর্ড ছিল না।

ফল ঘোষণার পর বিভিন্ন স্থানে বিজয়ী প্রার্থীদের কর্মী–সমর্থকদের মধ্যে আনন্দ–উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে আছে।