
সুন্দরবনে হরিণ শিকারের ফাঁদে বাঘের নতুন বিপদ
সুন্দরবনে হরিণ শিকারের ফাঁদে বাঘের নতুন বিপদ

সুন্দরবনে হরিণ শিকারের ফাঁদে বাঘের নতুন বিপদ

চোরা শিকারিদের পাতা হরিণ শিকারের ফাঁদে বাড়ছে সুন্দরবনের বাঘের ঝুঁকি। নষ্ট হতে পারে খাদ্যশৃঙ্খল।

সুন্দরবনে হরিণশিকারিদের পাতা ফাঁদে আটকে আহত হওয়া বাঘিনীটি এখনো পুরোপুরি শঙ্কামুক্ত নয়। বাঘিনীটি খাদ্যগ্রহণ শুরু করায় ও আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে হুংকার দেওয়ায় ধীরে ধীরে উন্নতির দিকে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।

২০ বছর বয়সী এই জনপ্রিয় ইউটিউবার ও ভিডিও স্ট্রিমার ৩ জানুয়ারি চিতার সঙ্গে তাঁর দৌড়ের একটি ভিডিও ইউটিউবে প্রকাশ করেছেন।

মাঘের শীতে বাঘ পালায়, এমন একটি কথা চালু আছে। এখন মাঘ মাস চলছে। কিন্তু সেই ‘বাঘ পালানো’ শীত কোথায়?

ডুলাহাজারা সাফারি পার্কের বিভিন্ন বেষ্টনীতে রয়েছে ৫২ প্রজাতির ৩৪১টি প্রাণী। এর মধ্যে আছে সিংহ, বাঘ, জেব্রা, ওয়াইল্ডবিস্ট, জলহস্তীর মতো বন্য প্রাণী।

সাদা বাঘের খাঁচার সামনে দাঁড়িয়ে আছে ছোট্ট সুমাইয়া ইসলাম। বয়স মাত্র ছয় বছর। বড় বড় চোখ করে বাঘটির দিকে তাকিয়ে ছিল সে। হঠাৎ বাবার হাত চেপে ধরে প্রশ্ন করল, ‘বাবা, বাঘটা কি কামড় দেবে?’ মেয়ের প্রশ্ন শুনে হেসে ফেললেন বাবা মুশফিকুল ইসলাম। তিনি বললেন, ‘ভয় পেয়ো না। বাঘ খাঁচার ভেতরে আছে। কামড় দিতে পারবে না।’

কোর সাফারিতে আটটি পর্যটক বাসে করে দর্শনার্থীরা বিশাল এলাকা ঘুরে বিভিন্ন প্রাণী দেখছেন। এসব প্রাণীর মধ্যে রয়েছে বাঘ, সিংহ, জেব্রা, ভাল্লুক, ওয়াইল্ড বিস্ট, গয়াল ও বিভিন্ন প্রজাতির হরিণ।

‘ভালোবাসার মূল্য কত’ থেকে ‘বন্দী পাখির মতো’, ‘ও চোখে চোখ পড়েছে যখনি’ থেকে ‘ডোরাকাটা দাগ দেখে বাঘ চেনা যায়’—বাংলা গানের শ্রোতাদের আবেগ, প্রেম, বেদনা আর স্মৃতির সঙ্গে মিশে আছে তাঁর অসংখ্য সৃষ্টি।

বাঘ, জলদস্যু ও প্রাকৃতিক প্রতিকূলতার কারণে অনেকেই এখন বনসংলগ্ন এলাকায় মৌবাক্স বসিয়ে মধু সংগ্রহ করছেন।

ওয়াশিংটনে ট্রাম্পের সঙ্গে ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুতের বৈঠকে ইরান যুদ্ধে মিত্রদের অসহযোগিতায় প্রেসিডেন্ট ‘চরম হতাশ’। হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বানে সাড়া না পেয়ে ন্যাটোকে ‘কাগুজের বাঘ’ বলে সমালোচনা করেছেন ট্রাম্প। যুদ্ধবিরতির পরও জোট ছাড়ার প্রসঙ্গ উঠেছে।

ইরান যুদ্ধে ন্যাটোর সহায়তা না পেয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জোট ছাড়ার কথা ভাবছেন এবং এটিকে ‘কাগুজে বাঘ’ বলেছেন। দ্য টেলিগ্রাফকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি যুক্তরাজ্যের নৌবাহিনীর সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ন্যাটোর প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।