
১৯৭০–এর দশকের তেল–সংকটের কথা মনে আছে, এবার পরিস্থিতি আরও খারাপ
অনেক দেশের পেট্রল, ডিজেল, তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস ও প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত কমে যাবে। যুদ্ধ আরও দীর্ঘায়িত হলে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলার পর্যন্ত উঠে যেতে পারে।

অনেক দেশের পেট্রল, ডিজেল, তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস ও প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত কমে যাবে। যুদ্ধ আরও দীর্ঘায়িত হলে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলার পর্যন্ত উঠে যেতে পারে।

গাইবান্ধায় পেট্রল সংকটে নিকাহ রেজিস্ট্রার আবদুল মজিদ সরকার মোটরসাইকেলের ট্যাঙ্কি খুলে ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে গিয়ে ভাইরাল হয়েছেন। ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইন, পাঁচ ঘণ্টা অপেক্ষা করেও তেল জোটেনি। জেলা প্রশাসন ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করেছে পাচার রোধে।

বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম দ্বিগুণেরও বেশি হলেও সরকার এপ্রিলে ডিজেল, অকটেন, পেট্রল ও কেরোসিনের দাম অপরিবর্তিত রেখেছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অফিস আদেশে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। দাম না বাড়ানোর ফলে সরকারকে প্রতি মাসে পাঁচ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হবে।

রাজশাহীর বাগমারায় বেশি দামে পেট্রল-ডিজেল বিক্রির উদ্দেশ্যে মুদিদোকানি আবদুস সাত্তার ৬৫০ লিটার জ্বালানি তেল মজুত করছিলেন। পুলিশ অভিযানে তেল জব্দ ও তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতে তিনি অপরাধ স্বীকার করেন।

এপ্রিলে চাহিদার অতিরিক্ত অকটেন আসছে। পেট্রল শতভাগ দেশে উৎপাদিত হয়। পেছাচ্ছে ডিজেলের জাহাজ।

বগুড়ার ৭৮টি ফিলিং স্টেশনের মধ্যে সিংহভাগই তেল শূন্য হয়ে বন্ধ রয়েছে। পাওয়া যাচ্ছে না পেট্রল ও অকটেন। এ অবস্থায় বিপাকে পড়েছেন মোটরসাইকেল, ট্রাক, বাস, কারসহ বিভিন্ন যানবাহনের চালকেরা।

সংকট আরও বাড়ার আশঙ্কায় মানুষ আগেভাগেই ডিজেল, অকটেন ও পেট্রল কিনে রাখতে শুরু করেছে। কোথাও কোথাও ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও তেল পাওয়া যাচ্ছে না।

গতকাল রোববার রাতে বাংলাদেশ পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা বলা হয়।

ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি তেলের সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কার মধ্যে সাতক্ষীরায় হঠাৎ পেট্রল ও অকটেন কেনার হিড়িক পড়েছে।

ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, ‘ভারত শুধু আমাদের দেশ থেকে পেট্রল বা খনিজ তেল কেনে না। তাই এ ক্ষেত্রে আমরা কোনো কিছুই দেখছি না।’

শরীয়তপুরের ডামুড্যায় ব্যবসায়ী খোকন চন্দ্র দাসকে কুপিয়ে ও শরীরে পেট্রল ঢেলে আগুন দিয়ে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় একটি মামলা করা হয়েছে।

বরিশালে অস্ত্রসহ সড়ক অবরোধ, মিছিল ও ককটেল–পেট্রলবোমা নিক্ষেপের অভিযোগে আওয়ামী লীগের ২৪৮ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। আসামির তালিকায় চার মৃত নেতার নামও রয়েছে।