
সকালেই পড়ুন আলোচিত ৫ খবর
শুভ সকাল। আজ দিনের শুরুতেই পড়তে পারেন দেশ-বিদেশের আলোচিত পাঁচ খবর ও বিশ্লেষণ।

শুভ সকাল। আজ দিনের শুরুতেই পড়তে পারেন দেশ-বিদেশের আলোচিত পাঁচ খবর ও বিশ্লেষণ।

সমকালীন ভারতে আর কোনো রাজ্যের নির্বাচন এতটা উত্তেজক ছিল না—এবার ২০২৬ সালে যা হলো। পশ্চিমবঙ্গের কোনো নির্বাচনও বাংলাদেশে এত মনোযোগ কাড়েনি অতীতে। এতসব আকর্ষণের কারণ, ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার পশ্চিমবঙ্গ বিজয়কে মর্যাদার লড়াই বানিয়ে ফেলেছিল।

নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নেতা ও মন্ত্রী পরাজিত হয়েছেন

আগামী ৫ বছর পশ্চিমবঙ্গ শাসন করার স্বপ্ন এখন মমতার কাছে দুঃস্বপ্ন।

বিজেপির অভ্যন্তরীণ সূত্র জয়ের পেছনে পাঁচটি প্রধান কারণ দেখিয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ুতে বড় রাজনৈতিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

আসামের ১২৬ টি আসনের মধ্যে ৫৮টিতে এগিয়ে আছে বিজেপি।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফল সোমবার। জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী তৃণমূল ও বিজেপি।

গত চার দিন ধরে রাজ্য তো বটেই, দেশেরও সর্বত্র একটাই জল্পনা, শেষ পর্যন্ত বাজি কে মারবেন। নরেন্দ্র মোদি নাকি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, ফলতা আসনে পুনর্ভোট গ্রহণ করা হবে ২১ মে এবং ভোট গণনা হবে ২৪ মে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনাপ্রক্রিয়ায় কেন্দ্রীয় সরকার এবং কেন্দ্রীয় পাবলিক সেক্টর সংস্থার (পিএসইউ) কর্মীদের নিয়োগ করার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের করা আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট।

২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন শুধু তৃণমূল কংগ্রেস আর ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) মধ্যে সাধারণ রাজনৈতিক লড়াই ছিল না। এই নির্বাচন এক অন্যরকম পরিস্থিতির ছবি দেখিয়েছে। এখানে রাজ্যের নির্বাচিত সরকারের শাসক দল তৃণমূলকে একসঙ্গে দু’দিক থেকে লড়তে হয়েছে। দলটির একদিকে আছে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ। আর অন্যদিকে রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।