
আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদের সমন্বয় ধর্ম
আর যদি বাঙালি মুসলমান সমাজের পক্ষ থেকে ধরি, তাহলে বলতে হয়, তিনি মুসলমানদের মধ্যে ‘বাঙালি’ পরিচয় উচ্চকিত করা অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব।

আর যদি বাঙালি মুসলমান সমাজের পক্ষ থেকে ধরি, তাহলে বলতে হয়, তিনি মুসলমানদের মধ্যে ‘বাঙালি’ পরিচয় উচ্চকিত করা অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব।

মনোজ অধিকারীর চোখের দিকে তাকিয়ে মৃদু স্বরে বলল সুবর্ণা, ‘কাশিমপুর কত দূর! কেমনে যামু ওইখানে?’

বাংলার ‘ভাবসম্পদ’ বলতে আমরা যদি কেবল সাহিত্য, সংগীত বা শিল্পকলার ভান্ডার বুঝি, তাহলে আমরা এই বিশেষ ধরনের সম্পদের চরিত্র, গভীরতা ও রাজনৈতিক তাৎপর্যকে সীমিত করে ফেলি।

জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান বলেছেন, পয়লা বৈশাখসহ ইসলামের সঙ্গে সাংঘর্ষিক নয় এমন সব সংস্কৃতি তারা ধারণ করবে। রাজধানীতে বৈশাখী শোভাযাত্রায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। শোভাযাত্রার পর রমনা পার্কে উৎসব চলছে।

ঋষিজ শিল্পী গোষ্ঠী ‘এসো হে বৈশাখ’ গানে পয়লা বৈশাখ উদযাপন করেছে শিশুপার্কের সামনে। সংগীতশিল্পী সমর বড়ুয়ার পরিচালনায় অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন রফিকুল আলম। এটি ৪৩তম বর্ষবরণ এবং ফকির আলমগীরকে উৎসর্গকৃত।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের সামনে থেকে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ বের হয়েছে। এবারের প্রতিপাদ্য ‘নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’। শোভাযাত্রায় মোরগ, হাতি, পায়রা, দোতারা ও ঘোড়াসহ পাঁচটি প্রধান মোটিফ রয়েছে, প্রতিটি আলাদা বার্তা বহন করে।

রাজধানীর রমনার বটমূলে সূর্যোদয়ের পর শুরু হয়েছে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান। রবীন্দ্র-নজরুলের গানে সজ্জিত এই প্রোগ্রামে প্রায় ২০০ শিল্পী অংশ নিচ্ছেন। অনুষ্ঠান বিটিভি, দীপ্ত টিভি ও অনলাইনে সরাসরি সম্প্রচার হচ্ছে।

১৩ এপ্রিল রাজধানীর বনানী মডেল টাউনে উইমেন কালিনারি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ ‘এসো হে বৈশাখ’ বৈশাখী উৎসবের আয়োজন করে। ঐতিহ্যবাহী থালা প্রতিযোগিতা, দেশীয় খেলা এবং পান্তা-ভর্তা-পিঠার সমাহার উপভোগ করেন অতিথিরা। প্রধান অতিথি কনা রেজা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষায় আয়োজনটিকে প্রশংসা করেন।

পয়লা বৈশাখে ঢাকায় বর্ষবরণের ৭টি বড় আয়োজনের বিস্তারিত। যাত্রাবিরতি থেকে মুক্তকণ্ঠ উৎসব পর্যন্ত সব খবর। টিকিট মূল্য, সময় ও অনুষ্ঠানের তালিকা জেনে নিন।

বর্ষবরণের অনুষ্ঠানে ২০ জনকে ছুরিকাঘাত করার পরিকল্পনা করেছিল।

বাঙালি সংস্কৃতির প্রধান পরিচয়বাহী উৎসব বাংলা নববর্ষ। এটি কেবল উৎসব নয়, এটি বাঙালির সাংস্কৃতিক পরিচয়ও বটে। সর্বোপরি বাংলা নববর্ষ আমাদের ঐতিহ্য, ইতিহাস ও সামষ্টিক জীবনের প্রতীক।

অ্যাসোসিয়েশন অব আইইউবি অ্যালামনাই অস্ট্রেলিয়া ইনক. সিডনিতে এক প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলা নববর্ষ পয়লা বৈশাখ ১৪৩৩ উদ্যাপন করে।