
বিপুল ভোটের ব্যবধানে জিতলেন বিএনপির প্রার্থী ফজলুর রহমান
ফজলুর রহমান ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ২৯ হাজার ৯৫৪ ভোট।

ফজলুর রহমান ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ২৯ হাজার ৯৫৪ ভোট।

বগুড়া-৭ আসনে (গাবতলী ও শাজাহানপুর) জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মোরশেদ মিল্টন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ৬২ হাজার ৫০১ ভোট।

বগুড়ার সাতটি আসনের মধ্যে সবকটিতে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন। এর মধ্যে বগুড়া-৬ (সদর) আসনে আংশিক ফলাফলে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দ্বিগুণ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন।

সুনামগঞ্জের পাঁচটি আসনেই বিএনপির প্রার্থীরা এগিয়ে আছেন। এর মধ্যে চারটিতে ধানের শীষ প্রতীকের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা, অন্যটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী।

জনসভায় ডামুড্যা উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যানরা উপস্থিত হন। তাঁরা প্রত্যেকে নুরুদ্দিন আহাম্মেদকে সমর্থন জানিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চান।

ঢাকা-১৪ আসনে বিএনপির মনোনয়নে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করছেন সানজিদা ইসলাম। গুমের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের স্বজনদের সংগঠন ‘মায়ের ডাক’-এর সমন্বয়ক তিনি।

ঢাকা-১৪ আসনে বিএনপির মনোনয়নে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করছেন সানজিদা ইসলাম। গুমের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের স্বজনদের সংগঠন ‘মায়ের ডাক’-এর সমন্বয়ক তিনি।

জোনায়েদ সাকির মতে, ১২ তারিখে বিএনপির নেতৃত্বে যুগপৎ জোট সরকার গঠন করবে। আর তার আসনে মাথাল মার্কাই ধানের শীষ।

চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জে) আসনে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ স্বতন্ত্র প্রার্থী (চিংড়ি প্রতীক) আবদুল হান্নান ও বিএনপি প্রার্থী (ধানের শীষ প্রতীক) হারুনুর রশিদের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় দুজনকে আটক করে এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

এই আসনে প্রার্থী সাতজন। নির্বাচনী প্রচারে এগিয়ে ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের দুই প্রার্থী।

এই আসনে প্রার্থী ১১ জন। এখানে ধানের শীষ ও শাপলা কলি—এ দুই প্রতীকের প্রার্থীর প্রচার–প্রচারণা বেশি।

সবার কাছে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রত্যাশা করে ফজলুর রহমান বলেন, ‘যে কথাটা বাংলাদেশে সাহস করে কেউ বলে না, সেই কথাটা আমি সংসদে বলব।’