
ইরান যুদ্ধ গড়াল ১০০ দিনে, ট্রাম্প হিমশিম খাচ্ছেন যেখানে
মার্কিন নাগরিকদের বড় একটি অংশ মনে করে, ইরান যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থবিরোধী।

মার্কিন নাগরিকদের বড় একটি অংশ মনে করে, ইরান যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থবিরোধী।

যে নেতারা একসময় বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ব্যক্তিকে সন্তুষ্ট করতে, তাঁকে তোষামোদ করতে চেষ্টা করতেন, তাঁরা এখন তাঁর সমালোচনার সাহস দেখাচ্ছেন, তাঁর থেকে দূরত্ব বাড়াচ্ছেন।

বেইজিংয়ে চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু হয়েছে। বাণিজ্য বিরোধ, শুল্ক, প্রযুক্তি, তাইওয়ান এবং ইরান যুদ্ধসহ বিভিন্ন বিষয় আলোচনায় উঠতে পারে। ট্রাম্প বাণিজ্য নেতাদের সঙ্গে চীনে গেছেন।

ট্রাম্প জানান, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা আলী খামেনির সঙ্গে বৈঠক করার কোনো ইচ্ছা তাঁর নেই।

কার্ল ফন ক্লাউজেভিৎস (১৭৮০-১৮৩১) প্রুশিয়ার একজন জেনারেল ও সামরিক তত্ত্ববিদ ছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান জুনে শুরু হতে যাওয়া ফুটবল বিশ্বকাপে অংশ নেবে কি না সেটা তিনি ‘পাত্তা দিচ্ছেন না।’

ট্রাম্প-সি বৈঠক শেষে তাইওয়ান ও ইরান যুদ্ধ নিয়ে কোনো স্পষ্ট অগ্রগতি হয়নি। উভয় পক্ষ সফরকে সফল বললেও বিস্তারিত সমঝোতার বিষয়ে মতভেদ রয়েছে।

এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেছেন, চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর ইরান আবার তেল বিক্রি করতে পারবে।

ইরান যুদ্ধ নিয়ে এক জটিল পরিস্থিতির মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি সহজে যুদ্ধ জয়ের ঘোষণা দিতে পারছেন না।

ইরান বিশেষজ্ঞ করিম সাদজাদপুর বলেন, ইরানের নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ দাবি করেছিলেন ট্রাম্প।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘খুব শিগগির’ ইরান যুদ্ধ শেষ করার ইঙ্গিত দিয়েছেন। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও যুদ্ধের শেষসীমা দেখতে পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন। যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাব এবং চলমান হামলার মধ্যে মার্কিন নাগরিকরা দ্রুত যুদ্ধবিরতি চান।

নির্বাচনী প্রচারের সময় সব যুদ্ধ বন্ধ করার কথাই বলেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প; কিন্তু তিনি ইরানে হামলা করেছেন, যা মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুদ্ধ ছড়িয়েছে।