
‘একমুঠো ধান যে বাড়িতে আনব, তার কোনো সুযোগ নাই’
নাসিরনগরে টানা বৃষ্টিতে হাওরের ধান তলিয়ে গেছে। চোখের সামনে ফসল হারিয়ে দিশাহারা কৃষকেরা। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের সংখ্যা হাজার ছাড়ালেও অনেকের নাম এখনো সরকারি তালিকায় ওঠেনি, ফলে ক্ষোভ ও হতাশা বাড়ছে।

নাসিরনগরে টানা বৃষ্টিতে হাওরের ধান তলিয়ে গেছে। চোখের সামনে ফসল হারিয়ে দিশাহারা কৃষকেরা। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের সংখ্যা হাজার ছাড়ালেও অনেকের নাম এখনো সরকারি তালিকায় ওঠেনি, ফলে ক্ষোভ ও হতাশা বাড়ছে।

দেড় ঘণ্টার বৃষ্টিতে মাত্র চার দিনের ব্যবধানে আবারও পানিতে তলিয়ে গেছে চট্টগ্রামের প্রবর্তক মোড়ের রাস্তাঘাট। সড়ক উপচে পানি ঢুকেছে আশপাশের দোকানেও।

রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় পানিনিষ্কাশনের নালার মুখে বাঁধ দেওয়ায় জলাবদ্ধতায় শত একর বোরো ধান তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকেরা। এর প্রতিবাদে আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার তারাগঞ্জ চৌপথী এলাকায় রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন তাঁরা।

১৪ হাজার কোটি টাকার কাজ চলছে এক দশক ধরে। খরচ হয়ে গেছে ১০ হাজার কোটি টাকা। তবু মৌসুমি বৃষ্টিতেই বারবার ডুবছে চট্টগ্রাম নগর।

চট্টগ্রাম নগরীতে জলাবদ্ধতার অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম দাবি করেছেন। তাঁর ভাষ্য, সাময়িক পানিজট হয়েছিল।

‘চেয়ার-টেবিল সরাতে সরাতেই দোকানের রান্নাঘরে পানি ঢুকে পড়ে। ১৫–২০ মিনিটের মধ্যে সব ভেসে গেছে, রান্না করা খাবারও বাঁচাতে পারিনি।’ কথাগুলো শাহেদ আলমের। চট্টগ্রাম নগরের প্রবর্তক এলাকার কিচেন এশিয়া রেস্টুরেন্টের ব্যবস্থাপক তিনি।

‘পানি হু হু করে ঢুকেছে। ১০ মিনিটের মধ্যে বুকসমান পানি হয়ে যায় দোকানে। কিছুই বের করতে পারিনি। আমি পথে বসে গেলাম।’ কথাগুলো বলতে বলতে থেমে যান তানভির আহমেদ। চট্টগ্রাম নগরের প্রবর্তক এলাকায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মূল ফটকের সামনে তাঁর ‘আয়াত সার্জিক্যাল’ নামের ওষুধের দোকানটি এখন পানির নিচে। তাঁর ধারণা, ক্ষতির পরিমাণ ৫০ লাখ টাকার বেশি।

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা (টিপু) আজ বুধবার ঈশ্বর পাঠশালা (উচ্চবিদ্যালয়) পরিদর্শন করেন।

এই সময়ে এমন বৃষ্টি কেন

বৃষ্টির পানি সড়ক ছাপিয়ে ঢুকেছে বসতবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে। এতে নগরবাসীর দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। বিশেষ করে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থীরা চরম দুর্ভোগে পড়েন।

দুর্যোগে বিপাকে পড়েছে এসএসসি পরীক্ষার্থীরা। বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় অনেক কেন্দ্রে মোমবাতি জ্বালিয়ে পরীক্ষা দিতে হয়েছে পরীক্ষার্থীদের।

জামায়াত এমপি সৈয়দ জয়নুল আবদীন সংসদে ৭০ শতাংশ ভোটকে উপেক্ষা করে ৫১ শতাংশ ভোটের গুরুত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলেন