
অনলাইন হাটে মিলছে গরু, ছাগল থেকে কসাইয়ের সন্ধান, যেসব সাবধানতা মানতে হবে
অনলাইন বেশ জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট

অনলাইন বেশ জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট

ঝড়বৃষ্টির পর মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী আদমপুর হাটে জমে ওঠে কোরবানির পশুর বাজার, যেখানে স্থানীয়ভাবে পালন করা গরু-মহিষই ছিল মূল আকর্ষণ।

নিউমার্কেট এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ গতকাল হাজারীবাগ পশুর হাট থেকে মাঝারি আকারের একটি গরু কেনেন।

বছরের পর বছর পরম যত্নে লালন-পালন করে কোরবানির হাটের জন্য বিশাল আকৃতির গরু প্রস্তুত করেছিলেন ভোলার খামারি দুলাল ব্যাপারী। কিন্তু ঈদ সামনে এসেও কাঙ্ক্ষিত দামে গরু বিক্রি না হওয়ায় এখন দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে তাঁর।

গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের চকবাজার এলাকার চিত্র এটি। আজ রাত পোহালেই পবিত্র ঈদুল আজহা। তাই শেষ সময়ে কোরবানির প্রস্তুতিতে ব্যস্ত নগরবাসী। কেউ কিনছেন দা-বঁটি, কেউ নিচ্ছেন মাংস কাটার গুঁড়ি। আবার কেউ খুঁজছেন চাঁটাই, টুকরি কিংবা গরুর খাবার।

নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় ২৮ মণ ওজনের ‘বাহুবলী’ নামের বিশাল ষাঁড় দেখতে প্রতিদিন ভিড়। কোরবানির ঈদের জন্য এর দাম হাঁকা হচ্ছে ১০ লাখ টাকা। খামারি রিপন মিয়া চান নড়াইল-১ এমপি জাহাঙ্গীর বিশ্বাস এটি কিনুক।

আশির দশকের মাঝামাঝি। বর্ষাকাল। সন্ধ্যা থেকে অঝোরে বৃষ্টি ঝরছে। আমাদের টিনের ছাউনিওয়ালা বাড়ি।

জোড়াগেট পশুর হাটে মূল কেনাবেচা হয় ঈদের আগের দুই দিন ও ঈদের দিন সকালে। এখন অনেকে পশু দেখছেন, দরদাম করছেন, কিন্তু হাতবদল হচ্ছে কমই।

রাজধানীর গাবতলী হাটে গরু নিয়ে এসেছেন খামারি ইয়াকুব আলী।

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার কাপাশিয়া পশ্চিমপাড়া এলাকার একটি খামারে ঢুকতেই চোখে পড়ে বিশাল আকৃতির এক ষাঁড়। সাদা-কালো গায়ের রং, দীর্ঘ দেহ আর শান্ত স্বভাবের কারণে সহজেই আলাদা করে নজর কাড়ে সেটি।

যখন একজন বৃদ্ধ খামারি এসে বলেন, ‘মাগো, তোমার ওষুধে আমার গরুটা সুস্থ হইছে, দোয়া করি বড় ডাক্তার হও’- তখন সব ক্লান্তি দূর হয়ে যায়। মানুষের এই নিঃস্বার্থ ভালোবাসা ও চোখের পানির মূল্য কোটি টাকা দিয়েও কেনা সম্ভব নয়।’

প্রায় এক হাজার কেজি ওজনের বিশাল আকৃতির ষাঁড়টি এবারও বিক্রি হয়নি। গত পবিত্র ঈদুল আজহার আগে লালমনিরহাটের বাইরে থেকে কয়েকটি জেলার পাইকারেরা ষাঁড়টির দাম বললেও এবার এখন পর্যন্ত কেউ আগ্রহ দেখাননি বলে জানিয়েছেন খামারমালিক।