
ভালো দামে গরু বিক্রি করতে পেরে স্বস্তিতে খামারিরা
কোরবানির ঈদ সামনে রেখে পাবনার বেড়া ও সাঁথিয়ার পশুর হাটে জমে উঠেছে বেচাকেনা। গোখাদ্যের খরচ বাড়লেও এবার গরুর চাহিদা ও দাম বেশি থাকায় কয়েক বছর পর ভালো লাভ পেয়েছেন খামারিরা।

কোরবানির ঈদ সামনে রেখে পাবনার বেড়া ও সাঁথিয়ার পশুর হাটে জমে উঠেছে বেচাকেনা। গোখাদ্যের খরচ বাড়লেও এবার গরুর চাহিদা ও দাম বেশি থাকায় কয়েক বছর পর ভালো লাভ পেয়েছেন খামারিরা।

কোরবানির পশুর হাটের শর্ত ও নিয়মাবলি বাস্তবায়নে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) কঠোর অবস্থানে।

নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় ২৮ মণ ওজনের ‘বাহুবলী’ নামের বিশাল ষাঁড় দেখতে প্রতিদিন ভিড়। কোরবানির ঈদের জন্য এর দাম হাঁকা হচ্ছে ১০ লাখ টাকা। খামারি রিপন মিয়া চান নড়াইল-১ এমপি জাহাঙ্গীর বিশ্বাস এটি কিনুক।

প্রায় এক হাজার কেজি ওজনের বিশাল আকৃতির ষাঁড়টি এবারও বিক্রি হয়নি। গত পবিত্র ঈদুল আজহার আগে লালমনিরহাটের বাইরে থেকে কয়েকটি জেলার পাইকারেরা ষাঁড়টির দাম বললেও এবার এখন পর্যন্ত কেউ আগ্রহ দেখাননি বলে জানিয়েছেন খামারমালিক।

ময়মনসিংহের অস্থায়ী পশুর হাটে ‘কমিশনার’ নামের বিশালাকৃতির কালো ষাঁড় ঘিরে দর্শনার্থীদের ভিড়, সাড়ে পাঁচ লাখ টাকায় বিক্রির আশা খামারির।

চকচকে কালো রঙের বিশালদেহী গরু। ঠিক পাশেই বাঁধা একটি খাসি। কালো-সাদা রঙের মিশেলে লোমশ শরীর, মাথায় বাঁকানো শিং।

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর গরুর হাটে অস্বাভাবিক ছোট আকৃতির একটি গরু এনেছেন এক ব্যক্তিকে যেটি দেখে অবাক হয়েছেন হাটে আসা মানুষেরা।

নেত্রকোনার পূর্বধলায় ঈদুল আজহা উপলক্ষে পশুর বাজার ইজারাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও হাতাহাতি হয়েছে।

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় ৩২ মণ ওজনের ‘জমিদার’ নামের একটি ষাঁড়কে দেখতে ভিড় জমছে স্থানীয় মানুষের। মালিক দম্পতি এবারের ঈদুল আজহায় গরুটির দাম হেঁকেছেন ১৩ লাখ টাকা।

গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের চকবাজার এলাকার চিত্র এটি। আজ রাত পোহালেই পবিত্র ঈদুল আজহা। তাই শেষ সময়ে কোরবানির প্রস্তুতিতে ব্যস্ত নগরবাসী। কেউ কিনছেন দা-বঁটি, কেউ নিচ্ছেন মাংস কাটার গুঁড়ি। আবার কেউ খুঁজছেন চাঁটাই, টুকরি কিংবা গরুর খাবার।

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেশে নতুন সরকার এলেও পশুর হাটের ইজারা ও নিয়ন্ত্রণকে ঘিরে সেই পুরোনো ‘দখলদারি’ ও ‘দলীয়করণের’ সংস্কৃতিই আমরা দেখতে পাচ্ছি।

জোড়াগেট পশুর হাটে মূল কেনাবেচা হয় ঈদের আগের দুই দিন ও ঈদের দিন সকালে। এখন অনেকে পশু দেখছেন, দরদাম করছেন, কিন্তু হাতবদল হচ্ছে কমই।