
নিমা ইউশিজের কবিতা
তোমরা যারা নিশ্চিন্তে তীরে বসে আছ, তোমাদের টেবিলে খাবার, পরনে দামি পোশাক—

তোমরা যারা নিশ্চিন্তে তীরে বসে আছ, তোমাদের টেবিলে খাবার, পরনে দামি পোশাক—

‘ববিতা আমাদের অভিনয়শিল্পের পাওয়ার হাউস। তাঁর কাছ থেকে আমরা শিখেছি অভিনয় কীভাবে শিল্প হয়ে ওঠে, শিল্পীর ব্যক্তিত্ব ও সৌন্দর্য।’

কেউ একজন জানালায় টোকা দিয়ে জানতে চাইল নৈশ-স্কুলের ঠিকানা!

শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বাংলাসহ মোট ১৫টি ভাষায় কবিতাপাঠ ও আবৃত্তির আয়োজন করেছে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর।

কিছু সত্য ঘটনা উপজীব্য করে, সত্য ও কাল্পনিক জগতের ভিয়েনে এই নস্টালজিক স্মৃতির শহরে কবিদের জীবনের গল্প লেখা হয়েছে সম্রাট ও প্রতিদ্বন্দ্বীগণ উপন্যাসে।

সীমার ভেতরে বসা অসীম ক্ষমতাধর রাজন্য ও পারিষদ নানা মন্ত্র জপে যায় শীর্ষাসনে সমাসীন সুদূরের ভিন্নতর কানে।

কর্মজীবনের মধ্য পথে হঠাৎ খেয়াল হলো নামের আগে একটা ‘ডক্টর’ লাগালে ভালো দেখাবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তি হয়ে গেলাম।

তুমি জগজ্জননী, দেবীচক্ষু, জেগে আছ ঘরের ঈশান কোণে, কঙ্কালের পাশে।

শিলাবৃষ্টির মতো ঝরে পড়ছে থলে–উপুড় কড়ি সামন্ত দম্ভোলে কাঁপে নারী ও শিল্পজিজ্ঞাসা!

ইচ্ছে করে উদ্যানের ছায়াবৃক্ষগুলি একে একে স্পর্শ করে দেখি অভ্যাসের বকুল কুড়াই

এরা মুগ্ধ লালন-কীর্তন ভাটিয়ালি গানে। আমার কবিতা রবীন্দ্রনাথের মতো

এহেন ভাবিতেই অকস্মাৎ চমকাইয়া উঠিলাম: ঠাহর করিলাম পৃষ্ঠদেশে আমার ভয়াবহ একটা কিল পড়িয়াছে।