
ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের একেকবার একেক কথায় বিভ্রান্ত–বিভক্ত মার্কিন নাগরিকেরা
ট্রাম্পের একেক কথায় বিভ্রান্ত–বিভক্ত মার্কিন নাগরিকেরা

ট্রাম্পের একেক কথায় বিভ্রান্ত–বিভক্ত মার্কিন নাগরিকেরা

ইরান যুদ্ধ শেষ করতে চীনের সাহায্যের দরকার নেই বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ জোরদার করেছে এবং পাকিস্তান, ইরাকের সঙ্গে চুক্তি করেছে। অন্য দেশগুলোও এখন ইরানের সঙ্গে চুক্তির উপায় খুঁজছে।

মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ক্রমেই বাড়ছে।

ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স পেন্টাগনের দেওয়া তথ্যের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনায় তিনি নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থার ঘাটতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

ইরানে যুদ্ধবিরতির কূটনৈতিক প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ইরান যুদ্ধ বন্ধে সহায়তা এবং হরমুজ প্রণালী খোলা রাখার প্রস্তাব দিয়েছেন বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প। তিনি জানান, চীন ইরানকে সামরিক সরঞ্জাম দেবে না। বেইজিংয়ে বৈঠকে তাইওয়ান ইস্যুতে সতর্কতার কথাও বলেছেন সি।

জরিপে দেখা গেছে, ট্রাম্প যদি স্থল সেনা মোতায়েন করেন, তাহলে যুদ্ধবিরোধী মনোভাব আরও বাড়বে।

ইরান যুদ্ধ ও বিশ্বমন্দার আশঙ্কায় বিশ্বব্যাপী চাকরির বাজার থমকে গেছে। নিয়োগ কমে গেছে, ছাঁটাইও নেই, ফলে নতুন চাকরিপ্রার্থীদের সুযোগ কমে গেছে। বাংলাদেশেও এই সংকটের ছায়া পড়ছে।

রয়টার্স/ইপসোস জরিপে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের ৬৬ শতাংশ নাগরিক ইরান যুদ্ধ থেকে দ্রুত সরে আসার পক্ষে। ৬০ শতাংশ সামরিক অভিযানের বিরোধী। যুদ্ধের ফলে জ্বালানির দাম বেড়ে অর্থনীতিতে ধাক্কা লেগেছে।

কোন দিকে তাকাব, কাকে সমর্থন করব? মন ভাবছে একদিকে, চোখ দেখছে অন্যদিকে। মন বলছে, ইরানের পরাজয় মানে ফিলিস্তিনি জনগণের স্বাধীনতার মৃত্যুঘণ্টা।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র যে যুদ্ধ বাধিয়েছে, তাতে জ্বালানি তেলের সংকট তৈরি হয়ে দেশটির মিত্রদেরই বেশি ভোগাচ্ছে।

ইরানে হামলা প্রশ্নে ট্রাম্প এবং তাঁর কর্মকর্তারা একেবারে ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন।