
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা কি ব্যর্থ হলো, চুক্তি না হওয়ার অর্থ কী দাঁড়াচ্ছে
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যৌথভাবে হামলা চালায়।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যৌথভাবে হামলা চালায়।

ইরানের ইস্পাতকঠিন প্রতিরোধের মুখে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের আগ্রাসন ও রক্তক্ষয়ী এ সংঘাতের অবসান ঘটাতে যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, তার সূচনা হয়েছিল অত্যন্ত বিধ্বংসী উপায়ে।

হরমুজ প্রণালীতে ইরানের নিয়ন্ত্রণ চলাকালীন ইরাক ও পাকিস্তান জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে তেহরানের সঙ্গে চুক্তি করেছে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত পাঁচটি সূত্র রয়টার্সকে তথ্য দিয়েছে। ইরাকের দুটি তেলবাহী জাহাজ গত রোববার প্রণালী অতিক্রম করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও তেহরানকে ১০ দিন সময় বেঁধে দিয়েছেন। এর মধ্যে চুক্তি না হলে ইরানে হামলার হুমকি দিয়েছেন তিনি।

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জেনেভা সফরের পরিকল্পনা হঠাৎ বাদ দেওয়ায় এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

লেবাননের বিশ্লেষক সারকিস নাওম বলেন, ‘এটি একটি মহা সমঝোতা, যেখান থেকে ফেরার পথ নেই।

ইরানের নির্বাসিত নেতা রেজা পাহলভি ট্রাম্পকে ইরানের শাসকগোষ্ঠীর সঙ্গে চুক্তি না করার সতর্কবাণী দিয়েছেন। তিনি নিজেকে ইরানের অন্তর্বর্তী নেতা হিসেবে দাবি করলেও ট্রাম্প সংশয় প্রকাশ করেছেন। সিপিএসি সম্মেলনে তিনি ইরান মুক্তির অঙ্গীকার করেন।

ইরান যুদ্ধ: শেষ হচ্ছে মার্কিন আধিপত্য

ট্রাম্প-ইরান চুক্তিতে বড় ধাক্কা খেলেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু

যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগে হরমুজ বন্ধ করল ইরান

‘এমন পদক্ষেপ লেবাননকে শত্রু ইসরায়েলের হাতের পুতুলে পরিণত করবে।’

হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা এলেও যুক্তরাষ্ট্র–ইরানের কর্মকর্তারা সুইজারল্যান্ডে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।