
ইরান সংকটের যে তিন পরিণতি হতে পারে
বর্তমানে বিশ্ব অর্থনীতিতে যে অস্থিরতা শুরু হয়েছে, সেটা ইরান যুদ্ধ নিয়ে যে কোনো পূর্বাভাসেই বলা হয়েছিল।

বর্তমানে বিশ্ব অর্থনীতিতে যে অস্থিরতা শুরু হয়েছে, সেটা ইরান যুদ্ধ নিয়ে যে কোনো পূর্বাভাসেই বলা হয়েছিল।

ইসরায়েল গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় তেহরানের কিছু জ্বালানি স্থাপনায় বড় হামলা চালায়।

সমঝোতা স্মারকে সই করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।

ইরান থেকে ইসরায়েল লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ।

ইরান উপসাগরীয় আরব রাষ্ট্রগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলা শুরু করার পর হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে ইরান।

লেবাননে ইসরায়েলের হামলাকে কেন্দ্রকে করে আবারও মুখোমুখি ইরান ও ইসরায়েল। ট্রাম্পের আহবানকেও তোয়াক্কা করছেন না নেতানিয়াহু। মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত।

ইরান ও উপসাগরীয় অঞ্চলে যুদ্ধের কারণে বাংলাদেশি প্রবাসী শ্রমিকরা নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়েছেন। ইরান থেকে ২০০ কর্মী উদ্ধার করা হয়েছে, নতুন কর্মী পাঠানো কমেছে ৫০ শতাংশ। ফিরে আসা কর্মীরা পুনর্বাসনের জন্য সরকারি সহায়তা চাইছেন।

ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু সরকারের অনেকেই ইতিমধ্যে বলে ফেলেছেন, ওল্ড টেস্টামেন্টে ‘আর্মাগেডন’ বা ‘চূড়ান্ত যুদ্ধের’ প্রেক্ষাপট ইরান যুদ্ধের মধ্য দিয়েই সূচিত হতে যাচ্ছে।

ইরান যুদ্ধ থেকে বাংলাদেশের মতো দেশগুলোর অনেক কিছু শেখার আছে। আমরা যেহেতু বড় আণবিক শক্তিসম্পন্ন প্রতিবেশী দেশের পাশেই অবস্থান করছি, তাই আমাদের প্রচলিত সক্ষমতায় ঘাটতি থাকা স্বাভাবিক।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে। জাতিসংঘের কোনো অনুমোদন তো দূরের কথা, কোনো পূর্বঘোষণাও ছিল না। ওই হামলায় ইরানকে লক্ষ্যবস্তু করা হয় এবং নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে ইরান পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি দেশে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে।