
ইয়াকুবের ক্যামেরায় আটচল্লিশের ভাষা আন্দোলন
আটচল্লিশের সেই উত্তাল দিনের নানা মুহূর্ত কোডাক ফোল্ডিং ক্যামেরায় ধারণ করেছিলেন শেখ মোহাম্মদ ইয়াকুব।

আটচল্লিশের সেই উত্তাল দিনের নানা মুহূর্ত কোডাক ফোল্ডিং ক্যামেরায় ধারণ করেছিলেন শেখ মোহাম্মদ ইয়াকুব।

ট্রাভেল ফটোগ্রাফার অব দ্য ইয়ার ২০২৫-এ বিশ্বের ১৬০ দেশের আলোকচিত্রীদের পাঠানো ২০ হাজারের বেশি ছবি জমা পড়েছিল।

পঞ্চাশের দশক আমানুল হকের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই সময়ে তাঁর হাত ধরে এ দেশে সৃজনশীল আলোকচিত্রের সূচনাপর্বের ভিত রচিত হয়।

ওই দিন দুপুর ১২টার দিকে ছাত্র ইউনিয়নের একটি ছোট্ট মিছিল পল্টন থেকে শহীদ মিনারের দিকে যাচ্ছিল। তখন কয়েকটি পথশিশু মিছিলের মধ্যে ঢুকে পড়ে।

‘কামাইতাচি’ একধরনের আত্মগত দলিল—যেখানে লোককথা, পারফরম্যান্স আর্ট এবং ব্যক্তিগত আত্মশুদ্ধির অভিজ্ঞতা একাকার হয়ে গেছে।

ম্যাট্রিক পাসের পর পাবনা অ্যাডওয়ার্ড কলেজে ভর্তি হলেন ঠিকই, কিন্তু ছবি তোলার নেশায় পড়াশোনার প্রতি তাঁর আর মন বসে না। এ সময় তাঁর ওপর ভর করে বেহালা বাজানোর নেশা।

স্বাধীনতাসংগ্রামের এই মহানায়কের মুক্তির সংবাদে রাইফেল উঁচিয়ে উল্লাস প্রকাশ করছেন এক বাঙালি তরুণী। পাশে দাঁড়ানো আরেক তরুণীর হাতে ফ্রেমে বাঁধানো বঙ্গবন্ধুর একটি সাদাকালো প্রতিকৃতি।

পথের এক প্রান্তে কাঁথা মুড়িয়ে শুয়ে আছেন এক বৃদ্ধ। শরীরটুকু স্থির, চোখ বন্ধ। তাঁর পাশ ঘেঁষে ছুটে চলেছে গাড়ি। হর্ন, আলো ও গতি মিলেমিশে এক নিরন্তর ব্যস্ততা। সময় যেন সেখানে থামে না; বরং গড়িয়ে যায় আরও দ্রুত। কিন্তু সেই স্রোতের মাঝখানে এক টুকরা নীরবতা হয়ে পড়ে থাকেন তিনি। এই দৃশ্য কোনো খবরের ছবি নয়, কোনো ঘটনার দলিলও নয়; এটি সময় ও মানুষের মধ্যকার সম্পর্কের প্রতিচ্ছবি।

ড্যাডির বহুল দেখা সেলফ পোর্ট্রেটটি ১৯৫১ সালে তোলা। ছবিটি তিনি তাঁর ৭৩ নম্বর ইন্দিরা রোডের বাড়ির শয়নকক্ষে তোলেন। মিডিয়াম ফরম্যাট টুইন লেন্স রিফ্লেক্স ক্যামেরা ড্যাডির গলায় ঝোলানো।

১৬ দিনব্যাপী এবারের উৎসবে বাংলাদেশসহ ১৮টি দেশ অংশ নেবে। পাঁচটি মহাদেশের ৫৮ জন আলোকচিত্রী উৎসবটিতে যোগ দেবেন।

‘সংবাদপত্রের কালো দিবস’ উপলক্ষে পিআইবিতে আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেছেন তথ্যমন্ত্রী।

নাসির আলী মামুনের ‘ফটোজিয়াম: লাইফ অব পোয়েট্রি’ প্রদর্শনীতে কবি আল মাহমুদ ও শামসুর রাহমানের দুর্লভ জীবনমুহূর্ত উন্মোচিত। ধানমন্ডির লা গ্যালারিতে চলছে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত ৫৮টি আলোকচিত্র প্রদর্শনী। উদ্বোধনে মতিউর রহমান বলেন, ভক্তরাই তাঁদের মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি করেছেন।