
ইউরোপ আরেকটি ব্যর্থ বছর সহ্য করতে পারবে না
মাখোঁর এ কথা একেবারেই ঠিক ছিল এবং আজও তা সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। ইউরোপ সত্যিই জানে কী করতে হবে।

মাখোঁর এ কথা একেবারেই ঠিক ছিল এবং আজও তা সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। ইউরোপ সত্যিই জানে কী করতে হবে।

দীর্ঘ কয়েক সপ্তাহের আলোচনা শেষে গত বুধবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে একটি প্রাথমিক চুক্তিতে সই করেছে। তবে প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই বিভিন্ন পক্ষ থেকে চুক্তিটি তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে। ওয়াশিংটনের কট্টরপন্থী ইরানবিরোধীরা একে একটি একপেশে চুক্তি হিসেবে দেখছেন। অন্যদিকে, ইসরায়েলের সব রাজনৈতিক দলই একে একটি ‘বাজে চুক্তি’ হিসেবে গণ্য করছে।

কানাডার ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ ভিসা বা ইমিগ্রেশন আবেদনে বিলম্ব এড়াতে কয়েকটি নির্দেশনা দিয়েছে।

গত ২৭ মে তালেবান ও রাশিয়ার মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতাবিষয়ক যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে, তার বিষয়বস্তু এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

ইউরোপসহ বিশ্বের গণতান্ত্রিক দেশগুলো যা করতে পারে, তা হলো তাঁর বহির্মুখী উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে পরাজিত করার জন্য একটি সুস্পষ্ট কৌশল গড়ে তোলা। এমন কৌশলের আটটি উপাদানের একটি অসম্পূর্ণ তালিকা এখানে দেওয়া হলো।

ইতিহাসে বহুবার দেখা গেছে, বড় যুদ্ধ শুধু মানচিত্র বদলায় না, যুদ্ধের ধরনও পাল্টে দেয়। কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো দেখিয়ে দিচ্ছে, আমরা হয়তো এমন এক নতুন যুগে ঢুকে পড়েছি, যেখানে যুদ্ধের পুরোনো নিয়ম আর খাটছে না।

‘বিশ্ব আবারও এক নতুন সন্ধিক্ষণে এসে দাঁড়িয়েছে।’ বৃহস্পতিবার বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত শীর্ষ বৈঠকের শুরুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে এ কথা বলেন চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং। এরপর সি প্রশ্ন তোলেন, ‘চীন ও যুক্তরাষ্ট্র কি তথাকথিত “থুসিডাইডিস ফাঁদ” অতিক্রম করে বৃহৎ শক্তিগুলোর সম্পর্কের নতুন এক ধারা তৈরি করতে পারবে?’

গত কয়েক মাসে বিশ্বরাজনীতির ছক বদলে গেছে, এর মধ্যে ট্রাম্প-সি চিন পিংয়ের বৈঠক নির্ধারিত হয়েছে। হরমুজ প্রণালির সংকটে আমেরিকা চীনের সাহায্য চাইছে, কিন্তু চীন শক্ত অবস্থান নিয়ে প্রবেশ করছে। তাইওয়ান ইস্যুসহ বড় সমঝোতার সম্ভাবনা রয়েছে।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমেরিকা ইরানের বিরুদ্ধে ‘সর্বোচ্চ চাপ’ নীতি নিয়ে বারবার ধাক্কা খাচ্ছে। কঠোর নিষেধাজ্ঞা ও হুমকি সত্ত্বেও ইরান আত্মসমর্পণ করছে না, বরং প্রতিরোধ জোরদার করছে। এই কৌশল যুদ্ধের ঝুঁকি বাড়িয়ে দীর্ঘ বিপর্যয়ের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির উত্থান মূলত তৃণমূল কংগ্রেসের ক্ষতির বিনিময়ে হলেও এই উত্থানের পেছনে নীরবে বড় ভূমিকা নিয়েছে বাম ভোটারদের একাংশ। শুনতে অস্বাভাবিক লাগলেও এই রাজনৈতিক পরিবর্তনের মধ্যে লুকিয়ে আছে ‘লালের’ ছাপ।


যেকোনো যুদ্ধে শুধু অস্ত্র নয়, সময়ও একটি বড় শক্তি। ক্যালেন্ডার অনেক সময় কামানের চেয়েও বেশি প্রভাব ফেলে। উপসাগরজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের চলমান সংঘাতেও এ বাস্তবতা স্পষ্ট। এখানে তিনটি দেশ শুধু একে অপরের বিরুদ্ধে লড়ছে না, তারা লড়ছে সময়ের সঙ্গেও। প্রতিটি পক্ষের নিজস্ব রাজনৈতিক সময়সীমা আছে, আর সেই সময়সীমাই তাদের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করছে।