
ইরান যুদ্ধের কারণে ‘প্রতারিত’ বোধ করছেন ট্রাম্পের সমর্থকেরা
ইরান যুদ্ধকে ‘পাগলামি’ আখ্যা দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী পডকাস্ট সঞ্চালক জো রোগান।

ইরান যুদ্ধকে ‘পাগলামি’ আখ্যা দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী পডকাস্ট সঞ্চালক জো রোগান।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আবারও যুদ্ধ করতে প্রস্তুত ইরান।

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে মার্কিন শ্রমবাজারে অনিশ্চয়তা বেড়েছে। তেলের দাম বৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতির আশঙ্কায় ছাঁটাইয়ের ভয় দেখা দিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাজার এখন স্থিতিশীল কিন্তু স্থবির অবস্থায় রয়েছে।

ট্রাম্পের ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটামের পর ইরান রোববার ভোরে ইসরায়েল ও কুয়েতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। কুয়েত ও ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ইরানের হামলার জবাব দিচ্ছে। এক মাস ধরে চলা যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্য ছড়িয়ে বৈশ্বিক অর্থনীতি অস্থির করেছে।

ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু দুজনেই হয়তো ভাবছেন যে তাঁদের হিসাব–নিকাশে ভুলটা কোথায় হলো?

মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন বলছে, হামলা সত্ত্বেও ইরানের ৯০% ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি সচল এবং ৭০% মজুত অক্ষত। চলতি মে মাসের শুরুতে তৈরি এ প্রতিবেদন নিউইয়র্ক টাইমস প্রকাশ করেছে। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবির বিপরীতে ইরান পাল্টা হামলা চালিয়েছে।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার প্রতিবাদে রাজধানীতে বিক্ষোভ করেছে দুটি সংগঠন।

জানা গেছে, ইরান থেকে বাংলাদেশি নাগরিকদের দেশে ফেরানোর বিষয়টি তদারকের জন্য তুরস্কে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম আমানুল হককে আজারবাইজানে পাঠানো হচ্ছে

ইসলামাবাদে ১১ এপ্রিল শান্তি আলোচনার জন্য ইরান ১০ দফা প্রস্তাব দিয়েছে। এতে মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহার, হরমুজ প্রণালিতে নিয়ন্ত্রণ, নিষেধাজ্ঞা বাতিলসহ কঠোর শর্ত রয়েছে। তেহরান এছাড়া যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ ও সম্পদ ফেরতেরও দাবি জানিয়েছে।

১৪ জুন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধ শেষ করার লক্ষ্যে একটি কাঠামোগত সমঝোতায় পৌঁছায়। হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়ার কথা বলা হয়। লেবাননে বোমাবর্ষণ বন্ধের ঘোষণা আসে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—হত্যা, সহিংসতা থামানোর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।

১৯৭২ সালের ডিসেম্বরে, ভিয়েতনাম যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্র পুরুষদের বাধ্যতামূলকভাবে যুদ্ধে পাঠাতে নিয়োগ দিয়েছিল

ট্রাম্প বলেছেন, শেষ পর্যন্ত একটি চুক্তিতে আসা ছাড়া ইরানের সামনে ‘কোনো বিকল্প নেই’।