
প্রশাসন মানুষের বিরুদ্ধে গেলে আবার ৫ আগস্ট নেমে আসবে: হাসনাত আবদুল্লাহ
এনসিপির নেতা হাসনাত দাবি করেন, সারা দেশে আওয়াজ উঠেছে, কেবল ১১–দলীয় জোট দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে পারবে।

এনসিপির নেতা হাসনাত দাবি করেন, সারা দেশে আওয়াজ উঠেছে, কেবল ১১–দলীয় জোট দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে পারবে।

জামায়াতে ইসলামী হত্যা, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির রাজনীতি চায় না বলে মন্তব্য করেছেন দলটির নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের।

ফুটপাতে দোকানে নেড়েচেড়ে ফল দেখি আর কথা বাড়ানোর চেষ্টা করি। লোকটার চিন্তাধারা বাস্তবমুখী। অনেকটা মজার ছলেই যা বলল, তার সারমর্ম—কাজ না করে যদি মিছিল-মিটিংই জীবিকার মাধ্যম হয়, তাহলে সেখানে দুর্নীতির প্রকোপ কোনোভাবেই কমবে না।

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমরা আর কোনো ফ্যাসিবাদ দেখতে চাই না। আমরা আর কোনো দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারকে এ দেশে দেখতে চাই না। আমরা একটি মানবিক বাংলাদেশ দেখতে চাই।’

এভারটনের সাবেক খেলোয়াড় লি তিয়ে ২০১৯ থেকে ২০২১ পর্যন্ত চীনের জাতীয় দলের কোচ ছিলেন। ইতিমধ্যে ঘুষ নেওয়ার দায়ে ২০ বছরের কারাদণ্ড হয়েছে তাঁর।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দেশ স্বাধীন হলেও স্বাধীনতার পর লুটপাট ও দুর্নীতির কারণে মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়নি।

বিএনপি দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন—এমন অভিযোগের জবাবে তারেক রহমান প্রশ্ন তোলেন তখনকার জামায়াতের দুজন মন্ত্রী পদত্যাগ করলেন না কেন।

দুর্নীতিবিরোধী আইনজীবী মার্ক পিয়েথের মন্তব্যের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন ফিফার সাবেক সভাপতি সেপ ব্ল্যাটার।

দুর্নীতির মাধ্যমে নিজ ও পরিবারের সদস্যদের নামে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগের তদন্ত চলায় এ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমরা চাই একটি সাম্যের বাংলাদেশ। একটি দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ। একটি চাঁদাবাজমুক্ত বাংলাদেশ। একটি দখলবাজমুক্ত বাংলাদেশ। একটি আধিপত্যবাদমুক্ত বাংলাদেশ।’

এই জরিপে অংশগ্রহণকারীরা বিএনপিকে বাছাই করেছেন অভিজ্ঞতা ও রাষ্ট্র পরিচালনার সক্ষমতার জন্য, জামায়াতকে বাছাই করেছেন কম দুর্নীতিগ্রস্ত হওয়া এবং সততার জন্য।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ঘটনায় প্রশ্ন উঠতেই পারে, এত তাড়াহুড়া করে পরীক্ষা নেওয়ার প্রয়োজন কী ছিল? যেখানে প্রতিবছর তিন ধাপে সুশৃঙ্খলভাবে পরীক্ষা আয়োজন করা হতো, সেখানে এবার কেন এক ধাপে পরীক্ষা নিয়ে দুর্নীতির সুযোগ করে দেওয়া হলো? এই তাড়াহুড়ার পেছনে কারা লাভবান হলো, সেই প্রশ্নের জবাব কি কেউ দেবে?