
নির্বাচনের আগে অপপ্রচারের ‘বন্যা’, বেশির ভাগই ভারত থেকে
বিশ্লেষকদের সতর্কবার্তা, সমন্বিতভাবে ছড়িয়ে পড়া মিথ্যা তথ্যের ঢল ভোটারদের পছন্দকে হুমকির মুখে ফেলছে।

বিশ্লেষকদের সতর্কবার্তা, সমন্বিতভাবে ছড়িয়ে পড়া মিথ্যা তথ্যের ঢল ভোটারদের পছন্দকে হুমকির মুখে ফেলছে।

সবচেয়ে বড় সতর্কবার্তা এসেছে ২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক অর্থায়ন হঠাৎ কমে যাওয়াকে ঘিরে।

প্রযুক্তির ব্যবহার ইসলামে নিষিদ্ধ নয়, তবে যুক্তিশীল সুনির্দিষ্ট সীমা থাকা জরুরি। এআইকে টুল হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে, কিন্তু ফতোয়া প্রদানকারী হিসেবে গ্রহণ করা বিপজ্জনক।

ক্যানসার হঠাৎ হয় না। এটি ধীরে ধীরে, নিঃশব্দে শরীরের ভেতরে গড়ে ওঠে। তাই শরীরের কিছু সতর্কসংকেত অবহেলা করা মারাত্মক ভুল হতে পারে।

পিটিআইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়, আইসিসি পাকিস্তানের বার্ষিক রাজস্বের পুরো অংশ আটকে রাখতে পারে এবং সেই অর্থ থেকে সম্প্রচারকদের ক্ষতিপূরণ দিতে পারে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় যতই ঘনিয়ে আসছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রচারণা নিয়ে বিভ্রান্তি ও শঙ্কা ততই বাড়ছে।

চলতি মাসের শুরুতে গুগল ই–মেইল নিয়ে একটি নতুন ফিচার চালু করে। এ সুবিধার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা তাঁদের পুরোনো জিমেইল ঠিকানা রেখে নতুন একটি ই–মেইল ঠিকানা যুক্ত করতে পারেন। পুরোনো বা দীর্ঘদিন ব্যবহার না করা ই–মেইল ঠিকানা বদলানোর সুবিধা দিতেই এই হালনাগাদ আনা হয়। তবে এই সুবিধাকে কেন্দ্র করেই প্রতারণার নতুন কৌশল দেখা যাচ্ছে।

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সর্বোচ্চ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে রেলপথ মন্ত্রণালয়।

‘বিদেশি সরকার কিংবা আন্তর্জাতিক চাপের কাছে আমরা মাথা নত করব না’—১৯৫১ সালে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে দাঁড়িয়ে এই সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছিলেন ইরানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মোসাদ্দেক। সাত দশকের বেশি সময় পেরিয়ে আজ, যখন একটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরির বহর ভারত মহাসাগরে প্রবেশ করছে এবং মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে মিসাইলবাহী জাহাজ, তখন মোসাদ্দেকের সেই কথা ইতিহাসের উদ্ধৃতি নয়, বরং চলমান বাস্তবতার ভাষ্য বলে মনে হয়।

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ।

আধুনিক গবেষণাও বলছে, থানকুনি শুধু লোকজ বিশ্বাসের উপকরণ নয়, এর গুণের পেছনে আছে বৈজ্ঞানিক ভিত্তি।

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিবেশবিজ্ঞানে পড়াশোনা শেষে চাকরি করেন আবু সেলিম। এরপর কাঠমান্ডুতে দক্ষিণ এশিয়ার আন্তসীমান্তীয় বায়ুদূষণ নিয়ে গবেষণা করেন।