
আট বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ দামে ব্র্যাক ব্যাংকের শেয়ার, অতিমূল্যায়িত না অবমূল্যায়িত
বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, ব্যাংকটির শেয়ারের দাম দীর্ঘ কয়েক বছর ধরেই চরম অবমূল্যায়িত ছিল। এখন কিছুটা যৌক্তিকভাবে মূল্যায়িত হতে শুরু করেছে। আগ্রহ বেড়েছে বিদেশিদেরও।

বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, ব্যাংকটির শেয়ারের দাম দীর্ঘ কয়েক বছর ধরেই চরম অবমূল্যায়িত ছিল। এখন কিছুটা যৌক্তিকভাবে মূল্যায়িত হতে শুরু করেছে। আগ্রহ বেড়েছে বিদেশিদেরও।

তুরস্ক মুসলিম শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চশিক্ষার কেন্দ্র হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করছে। ২০২৮ সালের মধ্যে ৩১ শতাংশের বেশি বিদেশি ভর্তি বৃদ্ধি করে ৫ লাখে নিতে চায় দেশটি।

৩০০ টাকার নিচে কোনো বিদেশি ফল কেনা যায় না। দেশে উৎপাদিত তরমুজ, কলা, পেঁপে ও সাম্মামের কেজি ২০০ টাকার মধ্যে আছে।

গত দেড় বছরে অর্থনীতির অধিকাংশ সূচক ক্রম-অবনতিশীল হয়ে পড়েছিল। ইউনূস সরকার শেষকালে বিদেশি-স্বার্থরক্ষক নানা চুক্তি করে গেছে। বোঝা যাচ্ছিল যে নতুন সরকার শুরুতেই একটা খাদের মধ্যে পড়বে।

তারা বিদেশে সাফল্যের গল্প শোনায়, আত্মীয়স্বজনের আর্থিক উন্নতির উদাহরণ তুলে ধরে, দ্রুত আয় ও উজ্জ্বল ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি দেয়। বাস্তবে তাদের পরিকল্পনা থাকে সম্পূর্ণ ভিন্ন।

যুক্তরাজ্যে পড়াশোনায় শিক্ষার্থীর জীবনযাত্রার খরচ নির্ভর করে অবস্থান, বাসস্থান ও ব্যক্তিগত জীবনযাপনের ওপর। তবু ব্যয় সম্পর্কে ধারণা থাকলে আর্থিক পরিকল্পনা সাজানো যায়।

উগ্রবাদীদের সুসংগঠিত হামলা ও আগুনে পুড়ে যাওয়া মুক্তকণ্ঠ ভবনে শিল্প প্রদর্শনীতে এসে বিদেশি কূটনীতিকেরা সংবাদপত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং গণতন্ত্রের প্রতি তাঁদের সমর্থন ব্যক্ত করেছেন।

চট্টগ্রামে অস্ত্র-গুলিসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। তাঁর নাম ইমতিয়াজ সুলতান ইকরাম। র্যাব বলছে, ইমতিয়াজ নগর পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী। তিনি একসময় বিদেশে পলাতক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী খান ওরফে বড় সাজ্জাদের সহযোগী ছিলেন। তাঁর হয়ে চাঁদাবাজি করতেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের মতোই অনেকটা বেপরোয়া বিদেশি ঋণে ঝুঁকেছিল অন্তর্বর্তী সরকার। রাজস্ব–ঘাটতির কারণে বাজেট সহায়তা এবং বড় প্রকল্পে অর্থছাড় বাড়ানোয় বিদেশি ঋণের মাত্রাও বেড়ে গিয়েছিল। ২০২৪-২৫ অর্থবছর শেষে বাংলাদেশের সরকারি খাতে বৈদেশিক ঋণের দায় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৭ বিলিয়ন ডলারে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাজনীতি ও নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করে কট্টর ডানপন্থী জনতুষ্টিবাদী নেতাদের ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখা বা তাঁদের উত্থান নিশ্চিত করাই তাঁর লক্ষ্য।

অস্ট্রেলিয়া সরকার আন্তর্জাতিক গ্র্যাজুয়েটদের জন্য পড়াশোনা শেষে কাজ করার সহায়ক সুযোগ রেখেছে।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নেতৃত্বে নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে কমবেশি ১ হাজার ২০০ দেশি–বিদেশি অতিথি যোগ দিতে পারেন।