
আচরণবিধি লঙ্ঘন করে মোটরসাইকেল বহর নিয়ে মহড়া বিএনপির প্রার্থীর, ছিল না হেলমেট
শরীয়তপুর-১ (সদর-জাজিরা) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাঈদ আহমেদ নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে মোটরসাইকেল বহর নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়েছেন।

শরীয়তপুর-১ (সদর-জাজিরা) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাঈদ আহমেদ নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে মোটরসাইকেল বহর নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়েছেন।

সোমবার মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা ও ঝিনাইদহে কর্মসূচি শেষে ফেরার পথে রাতে মাগুরা আদর্শ ডিগ্রি কলেজ মাঠে নির্বাচনী সমাবেশে এ কথা বলেন জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান।

ঝিনাইদহে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি বলেছেন, ‘দুর্নীতিবাজদের হাতে ব্যন্ডেজ দিয়ে হাত মুট করে দেওয়া হবে, যাতে তারা ওই হাত দিয়ে দুর্নীতি করতে না পারে।’

ধামরাইয়ের ধানতারা বাজারে প্রচারণা শেষে এনসিপি প্রার্থী নাবিলা তাসনিদ গোমগ্রাম বাজারে প্রচারণা চালাতে যান। বাজারে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে ভোট চান তিনি।

আবদুল হালিম টাঙ্গাইল-৪ আসনে বিএনপির মনোনয়ন চেয়েছিলেন। বিএনপির এ আসনে মনোনয়ন দেয় দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য লুৎফর রহমান ওরফে মতিনকে।

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় নির্বাচনী প্রচার চালানোকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।

সিইসি ও আইজিপির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু।

আজ রোববার নির্বাচনী জনসভায় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবেন।

বেকারদের কর্মোপযোগী করতে শিক্ষাব্যবস্থায় বাংলার পাশাপাশি ইংরেজি ও আরবি যুক্ত করা হবে।

এই জরিপে অংশগ্রহণকারীরা বিএনপিকে বাছাই করেছেন অভিজ্ঞতা ও রাষ্ট্র পরিচালনার সক্ষমতার জন্য, জামায়াতকে বাছাই করেছেন কম দুর্নীতিগ্রস্ত হওয়া এবং সততার জন্য।

হাইকোর্টের রায়ের পর পাবনা-১ ও পাবনা-২ সংসদীয় আসন আগের মতো পুনর্বহাল করে নির্বাচন কমিশনের গত ২৪ ডিসেম্বর সংশোধিত বিজ্ঞপ্তির অংশটুকু স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ।

বহুপ্রতীক্ষার ১৩তম জাতীয় নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শেষ হলো। স্বাধীনতার আগে এ অঞ্চলে পাঁচটি বড় নির্বাচন হয়। স্বাধীনতার পর হলো ১৩টি। এই ১৮টি নির্বাচনের মধ্যে সেরা ও কম বিতর্কিত ছিল ১৯৭০-এর নির্বাচন। সেটি ছিল নতুন সংবিধান প্রণয়নের নির্বাচন। এবারের নির্বাচনের শেষে যে সংসদ গঠিত হবে, তারও আরেক নাম সংবিধান সংস্কার পরিষদ। এই দুই নির্বাচনের মিলের দিক এটি। অন্য একটি মিলের দিক—উভয় নির্বাচনে ভোট গ্রহণ পর্যন্ত রক্তাক্ত সহিংসতা বেশ কম। ভোটকেন্দ্রগুলোতে ব্যাপক অনিয়মের কোনো উপস্থিতি ছিল বলে দেখা যায়নি।