
যুক্তরাষ্ট্র–ইরানের আলোচনায় অচলাবস্থা, কে বেশি ঝুঁকিতে
ইরান সংঘাত দীর্ঘমেয়াদি অচলাবস্থা তৈরি করেছে। যুদ্ধ সমাধানহীন থাকায় অর্থনৈতিক চাপ বাড়বে।

ইরান সংঘাত দীর্ঘমেয়াদি অচলাবস্থা তৈরি করেছে। যুদ্ধ সমাধানহীন থাকায় অর্থনৈতিক চাপ বাড়বে।

পাকিস্তানের যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতিতে মধ্যস্থতা বিশ্বের নেতিবাচক মনোভাবকে ইতিবাচক করে দিয়েছে। ইপসোস জরিপে দেখা গেছে, ৯০% থেকে ৭০% এর বেশি ইতিবাচক মতামত। সবার নজর এখন ইসলামাবাদে স্থায়ী চুক্তির আলোচনায়।

ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতির কয়েক ঘণ্টা পর লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বেসামরিক নাগরিকদের দুর্দশা আরও ভয়াবহ হয়েছে বলে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল সতর্ক করেছে। সংস্থাটি বিশ্বের দেশগুলোকে ইসরায়েলে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে। হেবা মোরায়েফ এই হামলাকে সতর্কবার্তা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

ইরান যুদ্ধে সামরিক লড়াইয়ের মতোই এখন কূটনৈতিক লড়াই সমান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

ইরান যুদ্ধ শেষ করতে ইসরায়েলকে এক সপ্তাহের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের সব দূতাবাস ও কূটনৈতিক দপ্তরকে অবিলম্বে নিরাপত্তাব্যবস্থা পর্যালোচনা করতে নির্দেশ দিয়েছে পররাষ্ট্র দপ্তর।

ইরানকে বারবার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ সামাল দিতে হয়েছে।

বিশ্বকাপে যদি শেষ পর্যন্ত ইরান অংশ নেয়, সেখানে স্ট্রাইকার সরদার আজমুনের অনুপস্থিতি নিশ্চিতভাবেই দলটিকে দুর্বল করে দেবে।

এই যুদ্ধের খরচ শুধু অস্ত্র বা সামরিক সরঞ্জামে সীমাবদ্ধ নয়। এর প্রভাব ইতিমধ্যেই সাধারণ মার্কিন নাগরিকের জীবনে পড়তে শুরু করেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলা ‘খুব শিগগিরই’ শেষ হতে যাচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের প্রভাব বাস্তব দুনিয়া থেকে অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ছে।

এমন কী হতে পারে যে ইরান সম্পর্কে ইসরায়েলের বিগত ৩০ বছরের বয়ানের পুরোটাই বানোয়াট কল্পকাহিনি ছিল?