
ঈদযাত্রায় পদ্মা সেতু এলাকায় গাড়ির চাপ থাকলেও নেই দীর্ঘ অপেক্ষা ও ভোগান্তি
ঈদযাত্রায় পদ্মা সেতু এলাকায় যানবাহনের চাপ বাড়লেও কোথাও ভোগান্তি নেই; স্বাভাবিক গতিতেই গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছেন যাত্রীরা।

ঈদযাত্রায় পদ্মা সেতু এলাকায় যানবাহনের চাপ বাড়লেও কোথাও ভোগান্তি নেই; স্বাভাবিক গতিতেই গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছেন যাত্রীরা।

সড়কটি নির্মাণের সময়সীমা ইতিমধ্যে এক দফা বৃদ্ধি করা হয়েছে। আগামী জুনে দ্বিতীয় দফার মেয়াদ শেষ হবে।

প্রতিবছর দুই ঈদে রাজধানী ঢাকা থেকে কমবেশি এক কোটি মানুষ স্বজনদের সঙ্গে উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করতে বাড়ি ফেরেন।

তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় মো. ইউসুফ মোল্লা মুক্তকণ্ঠকে বলেছেন, দায়িত্ব গ্রহণ করেই নগরবাসীকে তিনি যানজটের ভোগান্তি থেকে মুক্তি দিতে কাজ করবেন।

রাজধানীর রাজারবাগ ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসা জাকিরুল ইসলাম নামের এক মোটরসাইকেলচালক এভাবেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

অকটেন সংকটে চট্টগ্রাম থেকে সন্দ্বীপগামী নৌপথে স্পিডবোট চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন চালক ও শ্রমিকেরা। ঈদের আগে এ সংকট দূর করা না গেলে এ পথে চলাচল করা যাত্রীদের দুর্ভোগ পোহাতে হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মুক্তকণ্ঠের অনুসন্ধানে দেখা যায়, খেত থেকে ভোক্তা পর্যন্ত সবজি পৌঁছাতে কমপক্ষে পাঁচবার হাতবদল হয়,

প্রকৃতির নৈঃশব্দ্য উপভোগ করতে চাইলে যেতে পারেন দিনাজপুর। বিরলের ধর্মপুরে পাবেন কালিয়াগঞ্জ শালবন, বীরগঞ্জে সিংড়া শালবন আর নবাবগঞ্জ উপজেলায় নবাবগঞ্জ শালবন।

নির্মাণাধীন সড়ক, যানবাহনের বাড়তি চাপ, যত্রতত্র গাড়ি দাঁড় করানো ও যাত্রী ওঠানো-নামানোর কারণে এবারের ঈদেও এ মহাসড়ক হয়ে চলাচলে ভোগান্তির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

চমেক হাসপাতালে এমআরআই পরীক্ষার খরচ পড়ে ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা। তবে বাইরে বেসরকারি হাসপাতালে সেটি ৭ থেকে ১৮ হাজার টাকা।

ব্যবসায়ীদের দাবি, সাশ্রয়ী দাম ও বৈচিত্র্যময় ডিজাইনের কারণে ঢাকা, সিলেট ও চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলার পাইকারেরা দেওভোগ থেকে পোশাক কিনে নেন।

যশোরের বারীনগর মোকামে কৃষকের কাছ থেকে ৫৫-৫৬ টাকা কেজি দরে কেনা পটোল ঢাকায় পৌঁছাতে গিয়ে পাঁচবার হাতবদল হয়ে ১০০ টাকার বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। পরিবহন খরচ, খাজনা, দালালি ও মধ্যস্বত্বভোগীদের কারণে বাড়ছে দাম।