
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে আবার আলোচনায় বসানোর চেষ্টায় সৌদি, কাতার ও তুরস্ক সফরে শাহবাজ
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, আজ বুধবার থেকে আগামী শনিবার পর্যন্ত শাহবাজের এ সরকারি সফর চলবে। সৌদি আরব ও কাতারে দ্বিপক্ষীয় পর্যায়ে আলোচনা হবে।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, আজ বুধবার থেকে আগামী শনিবার পর্যন্ত শাহবাজের এ সরকারি সফর চলবে। সৌদি আরব ও কাতারে দ্বিপক্ষীয় পর্যায়ে আলোচনা হবে।

হোটেলের লবি–সংলগ্ন একটি ছোট কনফারেন্স রুম, যার নাম ‘ফয়সালাবাদ রুম’, সেখানেই মূল আলোচনাগুলো হয়েছে।

ইসলামাবাদে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের ইরানের সঙ্গে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পরও নতুন দর-কষাকষির সম্ভাবনা রয়েছে। লেখকের অভিজ্ঞতা থেকে জানা যায়, ইরানিদের কাছে চুক্তি মানেই নতুন আলোচনার শুরু। ট্রাম্পের চরম অবস্থান এবং ইরানের কৌশল টেকসই শান্তি বাধা দিচ্ছে।

ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনা ২১ ঘণ্টায় ব্যর্থ হয়েছে। এর পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীরবতা উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধবিরতির মেয়াদ এখনো ১০ দিন বাকি থাকলেও যুদ্ধের আশঙ্কা কমেনি।

পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের ২১ ঘণ্টার শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে। ইরান দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের অযৌক্তিক দাবিই মূল কারণ। তেহরান কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত রাখার ইঙ্গিত দিয়েছে।

ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা চলাকালে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মায়ামিতে ইউএফসি ম্যাচ দেখছিলেন। ২১ ঘণ্টার আলোচনায় কোনো সমঝোতা হয়নি। ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্স জানান, তিনি ট্রাম্পের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখেছিলেন।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনা ১৫ দিন পর্যন্ত চলতে পারে।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতিতে রাজি হলেও বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে ইসরায়েল।

বিশ্ব গণমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, এমন অবস্থা চলতে থাকলে অল্প কিছুদিনের মধ্যে পৃথিবীর অনেক দেশ তীব্র তেলসংকট পড়বে। এমনকি তেলশূন্যও হয়ে পড়তে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি মেনে নিয়েছে, যার পিছনে পাকিস্তানের অবিরাম মধ্যস্থতা গুরুত্বপূর্ণ। ইসলামাবাদের কূটনৈতিক উদ্যোগ কীভাবে এই অগ্রগতি এনেছে, তা বিশ্লেষণ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। এটি পাকিস্তানের বড় কূটনৈতিক বিজয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে, যার পেছনে পাকিস্তানের মধ্যস্থতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ইসলামাবাদের সঙ্গে দুই পক্ষের আস্থা, অর্থনৈতিক চাপ এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক এর মূল কারণ। তবে এই শান্তি এখনো নড়বড়ে।

শেষ মুহূর্তে ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে পূর্বঘোষিত বড় হামলা দুই সপ্তাহ স্থগিত করেছেন। এতে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের দামামা কিছুটা স্তিমিত হয়েছে। নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।