
জ্বালানি তেলের মজুত কতটা, আতঙ্ক কতটা যৌক্তিক
জ্বালানি তেলের মজুত কতটা, আতঙ্ক কতটা যৌক্তিক

জ্বালানি তেলের মজুত কতটা, আতঙ্ক কতটা যৌক্তিক

বিশ্ব অর্থনীতির জন্য সামনে খারাপ সময় অপেক্ষা করছে বলেই ধারণা করছেন বিশ্লেষকেরা। সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশও তার প্রভাব থেকে মুক্ত থাকবে না।

শুধু শেওড়াপাড়া নয়, রাজধানীর অনেক স্থানেই বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট দেখা দিয়েছে।

দেশে গত অর্থবছরে (২০২৪-২৫) অকটেন বিক্রি হয়েছে ৪ লাখ ১৫ হাজার টন। সে হিসাবে দিনে অকটেনের চাহিদা গড়ে ১ হাজার ১০০ মেট্রিক টন।

এসব জাহাজের মধ্যে চারটি এলএনজি, দুটি এলপিজি, বাকি চারটি ডিজেলসহ বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি পণ্য বহন করছে।

এই ঘটনায় পুলিশ ফিলিং স্টেশনের ৩ বিক্রয়কর্মীকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ১৫০ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে বলে সতর্ক করেছেন কাতারের জ্বালানিমন্ত্রী।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের আঁচ এখন ভালোভাবে টের পাচ্ছেন বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার হাজারো রাইড শেয়ারের চালক। জ্বালানি তেল কেনার নিয়মের কারণে আয় কমে যাওয়ায় দুশ্চিন্তায় এখন তাঁদের সবাই।

জ্বালানি তেল নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই জানিয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, ‘আমরা রেশনিং করেছি এজন্য যে, একটা অনিশ্চয়তা আছে (ইরান) যুদ্ধ কতদিন চলবে।’

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ অস্থির করে তুলেছে জ্বালানি তেলের বিশ্ববাজার। উৎকণ্ঠার মধ্যে রাজধানীর ফিলিং স্টেশনগুলোতে জমছে গাড়ি ও মোটরসাইকেলের সারি। অপেক্ষার এই মিছিলে ক্ষোভ যেমন আছে, তেমনি চাহিদামতো তেল না পাওয়ার অসন্তোষও রয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাবে দেশে জ্বালানি তেলের সংকট হতে পারে—এমন আতঙ্কে খুলনা ও সিলেটের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে তেল কিনতে ভিড় করছেন চালকেরা। কোথাও ‘তেল নেই’, কোথাও নির্দিষ্ট পরিমাণে বিক্রি করা হচ্ছে।

অকটেন, পেট্রোল, ডিজেল, কেরাসিনের মজুত কত, কী পরিমাণ পাইপলাইনে আছে, কোন জাহাজ কোথায় আছে, কত দিন পর দেশে আসবে—তা নিয়ে প্রতিদিন একবার জ্বালানি মন্ত্রণালয় ব্রিফিং করতে পারে।