
মুখোমুখি শামসুর রাহমান ও আল মাহমুদ
২০০৫ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মুক্তকণ্ঠয় প্রকাশিত এই সাক্ষাৎকারে দীর্ঘদিনের দূরত্ব পেরিয়ে মুখোমুখি হয়েছিলেন দুই প্রধান কবি—শামসুর রাহমান ও আল মাহমুদ।

২০০৫ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মুক্তকণ্ঠয় প্রকাশিত এই সাক্ষাৎকারে দীর্ঘদিনের দূরত্ব পেরিয়ে মুখোমুখি হয়েছিলেন দুই প্রধান কবি—শামসুর রাহমান ও আল মাহমুদ।

তুমি জগজ্জননী, দেবীচক্ষু, জেগে আছ ঘরের ঈশান কোণে, কঙ্কালের পাশে।

আফজাল পশ্চিমে ঢলে পড়া সূর্যের প্রায় গ্রীষ্মের মতো উষ্ণ তেজ মাথা পেতে নিয়ে হুইলচেয়ার ঠেলে চলে যায় সরু প্রধান ফটকের কাছে।

শিলাবৃষ্টির মতো ঝরে পড়ছে থলে–উপুড় কড়ি সামন্ত দম্ভোলে কাঁপে নারী ও শিল্পজিজ্ঞাসা!

রানির আগমনের নির্ধারিত সময় বিকেল চারটা। নির্ধারিত সময়ের আগেই তেজগাঁওয়ের পুরোনো বিমানবন্দরে গিয়ে পৌঁছালেন সাইদা খানম। বিমানবন্দরে শতাধিক দেশি-বিদেশি সাংবাদিক ও প্রেস ফটোগ্রাফার!

মানবাধিকার, সেন্সরশিপবিরোধী অবস্থান এবং সংকটাপন্ন লেখকদের পক্ষে সোচ্চার থাকার ঐতিহ্য বজায় রাখার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।

জেন্ডার স্টাডিজ, উইমেন স্টাডিজ, ফেমিনিজম, ফেমিনিস্ট লিটারেচার, থার্ড ওয়ার্ল্ড লিটারেচার, নৃবিজ্ঞান, এরিয়া স্টাডিজ, সোশিওলজির মতো জ্ঞানকাণ্ডের বিচিত্র শাখার পাঠ্যসূচিতে রোকেয়ার রচনা এখন অন্তর্ভুক্ত।

আবদুল গণি রোডে সারিবদ্ধ পুলিশ। তাদের হাতে থ্রি নট থ্রি রাইফেল। পরিবেশটা বেশ থমথমে। ঝটপট কয়েকটি ছবি তুললেন তকীয়ূল্লাহ।

পুরাতন বইয়ের মতো নিজেকে একনিশ্বাসে পড়তে পড়তে শেষ পৃষ্ঠায় এসে থমকে গিয়ে দেখি, আঙুলের ডগা থেকে উড়ে যাচ্ছে জ্বলন্ত অক্ষর...

চাঁদজ্বলা অপার্থিব রাত অর্থহীন, যদি না দুজনে থাকি জড়াজড়ি শর্তহীন।

প্রত্নতত্ত্বের ছাত্রছাত্রী, গবেষক ও লেখকদের কাছে বইটি বিশেষভাবে সমাদৃত হবে এবং যুগ যুগ ধরে বাঙালি সাধারণ পাঠকদেরকেও মাতিয়ে রাখবে, এটি আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

তিনি ঘোষণা করেছিলেন, ‘ভারতবর্ষে আমরা এমন এক শিক্ষিত শ্রেণি তৈরি করতে চাই, যাদের চামড়া হবে ভারতীয় কিন্তু রুচি হবে ইউরোপীয়।’