
ইসরায়েলের সঙ্গে ইইউর চুক্তি স্থগিতের তাগিদ স্পেনসহ তিন দেশের
গত সপ্তাহে ইইউর পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক প্রধান কাজা কালাসকে চুক্তি স্থগিত করার একটি যৌথ চিঠি দিয়েছে স্পেনসহ তিন দেশ।

গত সপ্তাহে ইইউর পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক প্রধান কাজা কালাসকে চুক্তি স্থগিত করার একটি যৌথ চিঠি দিয়েছে স্পেনসহ তিন দেশ।

পশ্চিম ইউরোপের অভিজাতরা এখন আরও বেশি সতর্ক এবং আরও বেশি আপসকামী হয়ে উঠেছে।

দক্ষিণ আফ্রিকায় অবস্থিত ইরানি দূতাবাস সরাসরি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে উপহাস করেছে।

যেকোনো যুদ্ধে শুধু অস্ত্র নয়, সময়ও একটি বড় শক্তি। ক্যালেন্ডার অনেক সময় কামানের চেয়েও বেশি প্রভাব ফেলে। উপসাগরজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের চলমান সংঘাতেও এ বাস্তবতা স্পষ্ট। এখানে তিনটি দেশ শুধু একে অপরের বিরুদ্ধে লড়ছে না, তারা লড়ছে সময়ের সঙ্গেও। প্রতিটি পক্ষের নিজস্ব রাজনৈতিক সময়সীমা আছে, আর সেই সময়সীমাই তাদের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করছে।

লেবাননে যখন ইসরায়েলের বোমা ঝরছিল, তখনই বিশ্বের অনেক দেশ স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছিল একটি খবরে।

ইরানি রাজনীতিবিদ এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা—উভয় পক্ষই নিজেদের বিজয়ী দাবি করছে।

যে নেতারা একসময় বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ব্যক্তিকে সন্তুষ্ট করতে, তাঁকে তোষামোদ করতে চেষ্টা করতেন, তাঁরা এখন তাঁর সমালোচনার সাহস দেখাচ্ছেন, তাঁর থেকে দূরত্ব বাড়াচ্ছেন।

৪০ দিনের যুদ্ধের পর ইসলামাবাদে শুরু হওয়া ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি আলোচনা ২১ ঘণ্টা পর ব্যর্থ হয়েছে। কোনো সমঝোতা না হওয়ায় দুই পক্ষ পরস্পরকে দোষারোপ করছে এবং যুদ্ধের সম্ভাবনা বেড়েছে। পাকিস্তান মধ্যস্থতায় ভবিষ্যতে আলোচনা চালিয়ে নেওয়ার আশা করছে।

ইরান হরমুজ প্রণালি খোলার ঘোষণা দিয়েছে যুদ্ধবিরতির প্রেক্ষাপটে। যুক্তরাষ্ট্র এটিকে বিজয় বললেও ইরান ‘মহান বিজয়’ দাবি করছে। দুই পক্ষের প্রস্তাবে বড় ফারাক থাকায় আলোচনার ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত।

দেশের ১৩টি বামপন্থী দলের সমন্বয়ে সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোট গঠন করেছে। তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্রেড (এআরটি)’ বাতিলের দাবি জানিয়েছে। এই চুক্তিকে তারা অসম ও জাতীয় স্বার্থবিরোধী বলে অভিহিত করেছে।

এক দিন আগে ট্রাম্প ইরানকে বোমা মেরে ‘প্রস্তর যুগে’ ফিরিয়ে দেওয়ারও হুমকি দিয়েছিলেন

ইরানের হামলায় সৌদি আরবের পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা হরমুজ প্রণালী এড়িয়ে তেল রপ্তানির একমাত্র পথ। এতে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকট আরও গভীর হতে পারে। আইআরজিসি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে।