
ইরানকে পাঁচ দফা তালিকা দিল যুক্তরাষ্ট্র, রাজি নয় তেহরান
ওয়াশিংটন পাঁচ দফার একটি তালিকা দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ইরান কেবল একটি পারমাণবিক কেন্দ্র সচল রাখতে পারবে।

ওয়াশিংটন পাঁচ দফার একটি তালিকা দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ইরান কেবল একটি পারমাণবিক কেন্দ্র সচল রাখতে পারবে।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের সমঝোতায় ইউরেনিয়ামের মজুত ত্যাগের বিনিময়ে ইরান ২ হাজার কোটি ডলার ছাড় পেতে পারে। মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ বন্ধের আশা জাগছে এই আলোচনায়। পাকিস্তান, মিসর ও তুরস্ক মধ্যস্থতা করছে।

মার্কিন নীতিনির্ধারকদের ধারণা, নতুন করে ভয়াবহ হামলার পর ইরান নমনীয় হতে বাধ্য হবে। পারমাণবিক ইস্যুতে আলোচনার টেবিলে আসতে আগ্রহী হবে।

জার্মান চ্যান্সেলর বলেন, যুদ্ধের প্রভাব এরই মধ্যে জার্মানির অর্থনীতিতে আঘাত হানতে শুরু করেছে।

‘আমরা সংলাপের জন্য আগ্রহী, কিন্তু কোনো অমূলক বা জবরদস্তিমূলক দাবির কাছে মাথানত করব না।’

ইরানি রাজনীতিবিদ এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা—উভয় পক্ষই নিজেদের বিজয়ী দাবি করছে।

ওয়াশিংটন এখন পর্যন্ত ইরানের বিশাল ক্ষেপণাস্ত্র মজুতের মাত্র এক-তৃতীয়াংশ ধ্বংসের বিষয়ে নিশ্চিত হতে পেরেছে।

আলোচনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবির পর ইসরায়েলে হতাশা ও বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের কোনো আলোচনা হয়নি বলে দাবি করেছেন ইরান।

মার্কিন প্রশাসনের জ্ঞাতসারেই ইরানি তেলবাহী ট্যাংকারগুলো ইতিমধ্যে হরমুজ প্রণালি ত্যাগ করছে।

চূড়ান্ত আলোচনায় অংশ নিয়েছিলেন যুক্তরাজ্যের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জনাথন পাওয়েল।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, মিত্রদেশগুলো সহায়তা না দিলে সামরিক জোট ন্যাটোর ভবিষ্যৎ ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।