
নেত্রকোনায় দুটি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৯ হাজার হেক্টর খেতের ধান পানির নিচে
নেত্রকোনায় ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে কংস নদের পানি বিপৎসীমার ১ দশমিক ১০ মিটার এবং উব্দাখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ৮১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

নেত্রকোনায় ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে কংস নদের পানি বিপৎসীমার ১ দশমিক ১০ মিটার এবং উব্দাখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ৮১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

ডিম সংগ্রহকারীদের কেউ কেউ হালদা থেকে ১০০–২০০ গ্রাম করে ডিম পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

প্রায় ২০ বছর ধরে নদীর তীরে বসবাস করা এই মানুষেরা রান্নাবান্না থেকে শুরু করে দৈনন্দিন সব কাজ নৌকাতেই করেন।

৪ নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে

সুনামগঞ্জে সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় প্রায় সব নদ-নদীর পানি বেড়েছে। এতে জেলার হাওরগুলোতেও পানি বেড়ে দ্রুত জমির ধান তলিয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে ভারী বৃষ্টির কারণে কৃষকেরা ধান কাটা ও মাড়াই নিয়ে বিপাকে পড়েছেন।

‘নিচের নদীতে মাঝরাতে বাড়ি ফিরছিল কয়েকজন জেলে। নৌকার খোলে দাঁড়িয়ে চিৎকার করে ডেকেছে তারা, কুমুকে সাবধান করতে। আর জেলেদের চোখের সামনে কুমু নদীর দিকে পড়তে পড়তে একবার থমকে গিয়েছিল। একটা নারী শরীর অনেক উঁচু থেকে পড়তে পড়তে আশ্চর্যজনকভাবে আর মানুষ থাকেনি।

কুড়িগ্রামের উলিপুরে বুড়ি তিস্তা নদীর ওপর ১২০ ফুট দীর্ঘ একটি কাঠের সেতু নির্মাণ স্থানীয়ভাবে আলোচনা তৈরি করেছে।

নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলায় টানা তিন দিনের ভারী বৃষ্টিতে উব্দাখালী, ভুগাই, মহাদেওসহ বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বেড়ে কয়েকটি হাওর ও বিলে পানি ঢুকতে শুরু করেছে।

সুনামগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় মৌসুমের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে। একই সঙ্গে উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢল নামছে। এতে হাওর ও নদীতে পানি বেড়ে কৃষকের চোখের সামনেই জমির ধান তলিয়ে যাচ্ছে।

সুনামগঞ্জে সোমবার সকাল থেকে বজ্রসহ ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টি ও উজানের পাহাড়ি ঢলে নদ-নদীর পানি বাড়ছে। জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি সোমবার দুপুরে জরুরি সভা করেছে।

দেশভাগের পর দলে দলে চলে আসা ছিন্নমূল শরণার্থীদের যাঁরা ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়ার রানাঘাটে চলে এসেছিলেন, এই কুপার্স ক্যাম্প হয়ে উঠেছিল তাঁদের ঠিকানা।

সুনামগঞ্জের উজানে ভারতের চেরাপুঞ্জিতে ব্যাপক বৃষ্টি হওয়ায় বাড়ছে নদ-নদীর পানি। এ পরিস্থিতিতে ২৬ এপ্রিল থেকে সুনামগঞ্জে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস।