
ইরানে হামলা ‘যুদ্ধাপরাধ’ হতে পারে, শতাধিক মার্কিন বিশেষজ্ঞের খোলাচিঠি
ইরানে নির্বিচার হামলার জন্য নিজ দেশেই সমালোচনার মুখে পড়ছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ইরানে নির্বিচার হামলার জন্য নিজ দেশেই সমালোচনার মুখে পড়ছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

গত বৃহস্পতিবার সাক্ষাৎকারের মাঝপথে মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টকে জানানো হয়, ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁকে হোয়াইট হাউসের ‘সিচুয়েশন রুমে’ অবিলম্বে দেখতে চাচ্ছেন।

গত সপ্তাহে সোনার দাম পাঁচ হাজার ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার মূল কারণ হলো, ডোনাল্ড ট্রাম্প কাকে ফেডের চেয়ারম্যান হিসেবে নেন, তা নিয়ে আশঙ্কা।

ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবসা মার্কিন প্রেসিডেন্টের ভাগ্য পুরোপুরি বদলে দিয়েছে।

সর্বশেষ প্রাথমিক ফলাফলে মাজিয়ারের তিসজা পার্টি ১৩৬টি আসন পেয়েছে।

এখন পর্যন্ত কোনো মার্কিন স্থল সেনা ইরানের অভ্যন্তরে ঢোকেনি।

ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মার্কিন প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়েছে।

ট্রাম্প ও ট্রাম্প-ঘনিষ্ঠদের বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি আইনের দিক থেকে গুরুতরভাবে প্রশ্নবিদ্ধ।

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক তুলসী গ্যাবার্ডকে পদচ্যুত করবেন কি না, সে বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উপদেষ্টাদের মতামত চেয়েছেন। তুলসীর সাবেক সহকারীকে সুরক্ষা দেওয়া এবং ইরান যুদ্ধ নিয়ে অবস্থান নিয়ে ট্রাম্প অসন্তুষ্ট। হোয়াইট হাউস মুখপাত্র তুলসীর প্রশংসা করলেও পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ।

ট্রাম্প বলেন, এরদোয়ান ইরানের পক্ষে যুদ্ধে নামার অন্যতম প্রধান প্রার্থী ছিলেন, কারণ তিনি ইসরায়েলকে মোটেও পছন্দ করেন না।

যুদ্ধের শুরুতে ট্রাম্প ইরানে শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের কথা বলেছিলেন। কিন্তু তা পারেননি; বরং এখন হরমুজ খুলতে পেরে তাঁকে খুশি থাকতে হচ্ছে।

সাম্প্রতিক জনমত জরিপ অনুযায়ী, ট্রাম্প ও তাঁর দলের জনপ্রিয়তা ক্রমেই কমছে