
জ্যাকসন হাইটস: আমেরিকায় বাংলাদেশ কিংবা নিউইয়র্কের ঢাকা!
জ্যাকসন হাইটসের ‘হাইটস’ শব্দটা না হয় জায়গাটা উঁচু বলে কিংবা ‘উঁচু তলার মানুষের’ আবাসিক এলাকা গড়ার পরিকল্পনা নিয়ে জায়গাটার উন্নয়ন ঘটানো হয়েছে বলে যোগ করা হয়েছে, জ্যাকসন’ এল কোত্থেকে?

জ্যাকসন হাইটসের ‘হাইটস’ শব্দটা না হয় জায়গাটা উঁচু বলে কিংবা ‘উঁচু তলার মানুষের’ আবাসিক এলাকা গড়ার পরিকল্পনা নিয়ে জায়গাটার উন্নয়ন ঘটানো হয়েছে বলে যোগ করা হয়েছে, জ্যাকসন’ এল কোত্থেকে?

মা তখন বুঝেছিলেন, আমি কথাটার গভীরে পৌঁছাতে পারিনি। বয়স তখন খুব কম।

উইনিপেগের স্থানীয় একটি মসজিদের জিমনেসিয়ামে ‘বন্ধন-কোঅপারেটিভ সোসাইটি’র উদ্যোগে আয়োজিত এ উৎসবে অংশ নেন শত শত বাংলাদেশি।

বাংলাদেশের লাইব্রেরিগুলোও নিউইয়র্কের কুইনস পাবলিক লাইব্রেরির মডেল অনুসরণ করতে পারে। শুধুই বই ধার দেওয়া নয়, লাইব্রেরি জীবনদক্ষতা, নৈতিক মূল্যবোধ, পরিবেশ সচেতনতা, নাগরিক দায়িত্ব এবং সৃজনশীল শিল্প নিয়ে কর্মশালা পরিচালনা করতে পারে, পাশাপাশি বৈশ্বিক জ্ঞানের প্রবাহ নিশ্চিত করতে পারে।

রাজার দুর্দশার কথা শুনে বললেন, ওই শালাকে ধইরা আনেন এখন। ওর সারকামসেশন করে দেব আমি। ব্যাটা কিছুই জানে না, ডাক্তারি করে। কুকুরটারে মাইরা ফালাইছে, ওর তো টিউমার হইছে।

গলায় এক ফোঁটা পানিও পড়েনি। তেষ্টায় গলা ফেটে যাচ্ছিল। শীতের মধ্যে পাতলা কাপড়েই রাত কেটে গেল।

অনেক মানুষ যখন পুলে ৯/১১ এ হারিয়ে যাওয়া মানুষের নামের সামনে দাঁড়িয়ে, সেই মানুষগুলোর কথা ভাবছেন, তখন আরও অনেক মানুষ স্মৃতিস্তম্ভের চারপাশে হেঁটে বেড়াচ্ছেন। জায়গাটায় অনেকগুলো গাছ সারি সারি লাগানো আছে।

প্রবাসের মাটিতে বাংলা সংস্কৃতি-সাহিত্যকে যত্নের সঙ্গেই লালন-পালন করতে হবে। বাংলাকে ব্যাপকভাবে প্রচার ও তার প্রসার ঘটাতে প্রবাসী সব বাঙালিকে নিতে হবে গুরুদায়িত্ব। তাদেরই ভেবে বের করতে হবে যথাসম্ভব নতুন উপায়।

মায়া বলল, ‘স্যার,আমি একটা গল্প শোনাতে চাই আপনাকে। এটা আমার জীবনের গল্প নয়, কিন্তু আমার অভিজ্ঞতার ভেতর থেকেই জন্মেছে।’

বাবার কাছ থেকে শেখা নিয়মনিষ্ঠা, জন্মনিবন্ধন, কাঁঠালপাতার পিঠা, জন্ডিসের ভেষজ মালা, শিকার ও ব্যবসার গল্প বলেছেন।

কমডেমড সেল থেকে ফিরে আসা মানুষেরা তাঁদের জীবনের দুর্বিষহ দিনগুলোর মর্মস্পর্শী গল্প শোনালেন।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আংশিক বেকারত্ব থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাব পর্যন্ত—অর্থনীতিবিদ তাহরিন তাহরীমা চৌধুরীর গবেষণা দেশ-বিদেশে আলোচিত। এফএওতে কাজ করছেন তিনি। ছোটবেলা থেকে উচ্চ গবেষণা পর্যন্ত তাঁর অনুপ্রেরণামূলক যাত্রার গল্প।