
রাষ্ট্রভাষা প্রশ্ন: বিকল্প রাজনৈতিক পরিসর হিসেবে আদালত
১৮৩৭ সালে বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি আইন নং ২৯–এর মাধ্যমে ফারসির পরিবর্তে ওডিশি, বাংলা ও হিন্দুস্তানি (উর্দু) ভাষাকে আদালতের ভাষা করা হয়।

১৮৩৭ সালে বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি আইন নং ২৯–এর মাধ্যমে ফারসির পরিবর্তে ওডিশি, বাংলা ও হিন্দুস্তানি (উর্দু) ভাষাকে আদালতের ভাষা করা হয়।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একুশে ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রভাষার প্রশ্নে সীমাবদ্ধ থাকেনি। বরং ফাগুনের আগুন দ্রোহের আগুন জ্বালায়, সেই তাপে শাসকগোষ্ঠী নড়েচড়ে বসতে বাধ্য হয়

কোলেট ডেলাওয়ালার ভাষায়, এই উচ্ছেদ অবৈধ এবং তিনি এটিকে ‘আধুনিক যুগের বই পোড়ানোর’ সঙ্গে তুলনা করেন।

রবীন্দ্রনাথকে কেন্দ্র করে রামমোহন, বিদ্যাসাগরসহ বাংলার রেনেসাঁস-মননের ধারাবাহিক বিকাশ এখানে স্পষ্টভাবে উদ্ভাসিত।

এই রোজা রাখা হয়েছিল ভাষাশহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা এবং রাষ্ট্রযন্ত্রের ক্রমাগত অন্যায় ও শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হিসেবে।

১ ফেব্রুয়ারি ওয়ারীতে গিয়ে শাহরিয়ারের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করি। জানতে চাই, শহীদ রফিকের ছবির মূল নেগেটিভ কোথায়? শাহরিয়ার শোনালেন এক দুঃখজনক ঘটনা।

‘শিল্প অরাজনৈতিক’—এই দাবি আসলে একধরনের নান্দনিক নিরপেক্ষতার কল্পনা, যা নিজেকে অরাজনৈতিক বলে ঘোষণা করার মধ্য দিয়েই রাজনৈতিক হয়ে ওঠে।

হাওরের দেশে ফরসা মানুষ বিরল। অবশ্য কালো কালো মানুষদের মধ্যে ভাগ্যবানরা অন্যের শ্রম চুরি করে অনেক বছরের তপস্যায় একটু-আধটু ফরসা হয়ে যাচ্ছে।

কিছু সত্য ঘটনা উপজীব্য করে, সত্য ও কাল্পনিক জগতের ভিয়েনে এই নস্টালজিক স্মৃতির শহরে কবিদের জীবনের গল্প লেখা হয়েছে সম্রাট ও প্রতিদ্বন্দ্বীগণ উপন্যাসে।

যাঁরা সেই ষাটের দশকে আমাদের জীবনকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিলেন, সেই সব ব্যক্তিত্বের মধ্যে শহীদুল্লা কায়সার হলেন অন্যতম।

সীমার ভেতরে বসা অসীম ক্ষমতাধর রাজন্য ও পারিষদ নানা মন্ত্র জপে যায় শীর্ষাসনে সমাসীন সুদূরের ভিন্নতর কানে।

রনি হঠাৎ তেড়ে আসছে তোমাদের দিকে। রনি তোমাকে বলে, এক্ষুনি তোমার বন্ধু সুলেমানকে নিয়ে বের হয়ে যেতে।