
ইরান ‘বড় বিপদে’ আছে, হামলা চালানোর নির্দেশ দেওয়া হতে পারে: ট্রাম্প
ট্রাম্প গত সপ্তাহে তেহরানকে হুঁশিয়ার করে বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র বিক্ষোভকারীদের সহায়তায় এগিয়ে আসতে পারে।

ট্রাম্প গত সপ্তাহে তেহরানকে হুঁশিয়ার করে বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র বিক্ষোভকারীদের সহায়তায় এগিয়ে আসতে পারে।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে অপহরণ করতে যুক্তরাষ্ট্র যা করল, তাকে সীমান্ত পার হয়ে আইন প্রয়োগ বলা যায় না।

ইরান থেকে ইসরায়েল লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ।

আগামী শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আনুষ্ঠানিক চুক্তি সই হওয়ার কথা। এর মধ্যেও দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন জনপদে বিমান হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল।

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে ইয়েমেনের হুতিরা সরাসরি যোগ দিয়ে ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। লোহিত সাগরে জ্বালানি জাহাজ বন্ধের আশঙ্কায় বিশ্বব্যাপী অস্থিরতা বাড়বে। কূটনৈতিক চেষ্টা চললেও যুদ্ধ আরও বিস্তৃত হচ্ছে।

ইসরায়েলের সঙ্গে নতুন করে যুদ্ধে জড়িয়েছে হিজবুল্লাহ। সাইপ্রাসে যুক্তরাজ্যের ঘাঁটিতে ইরানের হামলা।

ট্রাম্প কথা দিয়েছিলেন, ইরানি বাহিনী বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলা চালালে তিনি ইরানে ‘গুলি চালাবেন’। তবে বিশ্লেষকেরা বলছেন, পরিস্থিতি এত দ্রুত পাল্টাচ্ছে।

ইরান সন্দেহ করছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরান যুদ্ধে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। ইরানে স্থল হামলা হলে আমিরাতের রাষ্ট্রীয় স্থাপনায় পাল্টা হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। উচ্চপদস্থ ইরানি সূত্ররা এই দাবি করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ বন্ধে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের পরই ইসরায়েলে দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে ইরান পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি দেশে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে।

প্রায় ২৫ বছর পর সেই ক্ষতির পরিমাপ করা এখন সহজ। এ হামলা মার্কিন বৈশ্বিক নেতৃত্বের পতনের সূচনা করেছিল। এটি আমাদের স্থায়ী ভয় ও জরুরি অবস্থার মধ্যে ঠেলে দিয়েছিল। এটিই পরবর্তী সময়ে আমাদের গণতন্ত্রের দ্রুত পতনকে ত্বরান্বিত করে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, ইরান চুক্তি না মানলে আবার হামলা হবে। লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় ২৫৪ জন নিহত, ১ হাজার ১১০ জনের বেশি আহত। ইরান শান্তি আলোচনাকে অযৌক্তিক বলেছে।