
স্পিকার না থাকলে সংসদ সদস্যদের শপথ কী করে হবে
বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ানোর উপযুক্ত ব্যক্তি হলেন স্পিকার অথবা ডেপুটি স্পিকার।

বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ানোর উপযুক্ত ব্যক্তি হলেন স্পিকার অথবা ডেপুটি স্পিকার।

সপ্তাহ দু-এক আগে একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে একজন বিএনপি নেতার সঙ্গে দেখা হলো। উপজেলা পর্যায়ের একজন ত্যাগী নেতা।

বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে এবার প্রথমবারের মতো প্রবাসীরা তাঁদের সাংবিধানিক ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছেন।

দৈনিক মুক্তকণ্ঠের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানা যায়, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য ৮১টি সংস্থার ৫৫ হাজার ১৫৪ জন পর্যবেক্ষককে অনুমোদন দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এর মধ্যে একটি নামমাত্র সংস্থাই ১০ হাজার পর্যবেক্ষক নিয়োগের অনুমোদন পেয়েছিল, যা পরে স্থগিত করা হয়। এ ঘটনা ব্যতিক্রম নয়, বরং পুরো নির্বাচন পর্যবেক্ষণব্যবস্থার কাঠামোগত দুর্বলতাকে স্পষ্ট করে।

প্রত্নতত্ত্বের ছাত্রছাত্রী, গবেষক ও লেখকদের কাছে বইটি বিশেষভাবে সমাদৃত হবে এবং যুগ যুগ ধরে বাঙালি সাধারণ পাঠকদেরকেও মাতিয়ে রাখবে, এটি আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে বাংলাদেশে চলছে একটি উৎসবের আমেজ। বিশেষ করে ছোট ছোট চায়ের দোকানে ঢুকলে নির্বাচনের আমেজ যে এখন সাধারণ মানুষের চিন্তাজগতের পুরোটা জুড়ে আছে, সেটা বেশ ভালোভাবেই বোঝা যায়।

নির্বাচনের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। প্রচার এখন তুঙ্গে। এবারও নির্বাচনকালে রাজনৈতিক দলগুলো জনগণের সামনে অনেক নীতিগত প্রতিশ্রুতি হাজির করেছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় একটি ‘শিক্ষা আইন’ প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে এবং জনসাধারণের মতামতের জন্য আইনটির খসড়া ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

জাতীয় নির্বাচন ঘনিয়ে আসছে। রাজনৈতিক দলগুলো ইতিমধ্যেই প্রচারণা শুরু করেছে। এখন ভোটের রাজনীতি কেবল শহরের টক শো কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আলোচনায় সীমাবদ্ধ নয়।

মধ্য মাঘের শীতলতাকে ছাড়িয়ে এখন উষ্ণতা ছড়াচ্ছে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন। শুরু থেকেই কী এক অজ্ঞাত কারণে এই নির্বাচন আদৌ হবে কি না, তা নিয়ে ব্যাপক বিভ্রান্তি ছিল জনমনে।

‘উন্নয়নের রোল মডেল’, ‘২০৪১ সালে উন্নত দেশ’—এই স্লোগানগুলো তৈরি হয়েছে এই গ্র্যাজুয়েশনকে কেন্দ্র করে। কিন্তু এখন প্রশ্ন উঠছে, যে তথ্যের ভিত্তিতে এই আখ্যান নির্মিত হয়েছিল, সেই তথ্য কতটা নির্ভরযোগ্য ছিল? হোয়াইট পেপার বা শ্বেতপত্রে বলা হয়েছে, ‘উন্নয়নের গল্প পরিসংখ্যানগত দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যতিক্রমী ছিল, কিন্তু সেগুলো ছিল জনগণের সঙ্গে প্রতারণা’।

০ ২ ১ ৬