
ইরানে কি আসলেই হামলা চালাবে যুক্তরাষ্ট্র, নাকি শুধুই বাগাড়ম্বর
মধ্যপ্রাচ্যে শুধু আকাশপথেই নয়, সমুদ্রপথেও নজিরবিহীন শক্তি বাড়িয়েছে পেন্টাগন।

মধ্যপ্রাচ্যে শুধু আকাশপথেই নয়, সমুদ্রপথেও নজিরবিহীন শক্তি বাড়িয়েছে পেন্টাগন।

হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে হলে ইরানকে সেটি পুরোপুরি বন্ধ করে দিতে হবে।

জাহাজ চলাচলকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, প্রণালিটি দিয়ে যান চলাচল যুদ্ধ–পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরতে এখনো সময় লাগবে। নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা এবং মাইন পরিষ্কারের কাজ এখনো বাকি।

ওয়াশিংটন পাঁচ দফার একটি তালিকা দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ইরান কেবল একটি পারমাণবিক কেন্দ্র সচল রাখতে পারবে।

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে ইসরায়েলের প্রযুক্তি খাতে গুরুতর কর্মীসংকট দেখা দিয়েছে। ইসরায়েল ইনোভেশন অথরিটির জরিপে দেখা গেছে, অর্ধেক প্রতিষ্ঠানে জনশক্তির ২৫ শতাংশের বেশি কর্মী অনুপস্থিত। এতে পণ্য উন্নয়ন, আমদানি ও বিনিয়োগ সবকিছুতে চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে।

ইরান যুদ্ধ অবসানের জন্য এ যুদ্ধবিরতিকে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচনা করা হচ্ছে।

ট্রাম্প-নেতানিয়াহুকে হত্যার পুরস্কারবিষয়ক একটি বিলের ওপর ভোট দিতে যাচ্ছেন ইরানি আইনপ্রণেতারা।

ওয়াশিংটন ইরানে সামরিক হস্তক্ষেপ করতে পারে বলে বারবার হুমকি দিচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এসব প্রতিবেদন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীতে খ্রিষ্টান চরমপন্থার আশঙ্কাজনক বৃদ্ধির প্রমাণ দিচ্ছে।

যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনার দরজা খোলা রাখতে সচেষ্ট পাকিস্তান।

যেকোনো যুদ্ধে শুধু অস্ত্র নয়, সময়ও একটি বড় শক্তি। ক্যালেন্ডার অনেক সময় কামানের চেয়েও বেশি প্রভাব ফেলে। উপসাগরজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের চলমান সংঘাতেও এ বাস্তবতা স্পষ্ট। এখানে তিনটি দেশ শুধু একে অপরের বিরুদ্ধে লড়ছে না, তারা লড়ছে সময়ের সঙ্গেও। প্রতিটি পক্ষের নিজস্ব রাজনৈতিক সময়সীমা আছে, আর সেই সময়সীমাই তাদের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করছে।

দুবাই উপকূলে ইরান কুয়েতি তেল ট্যাঙ্কার আল-সালমিতে হামলা চালিয়েছে। ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি না খোলায় ইরানের তেলকূপ ও এনার্জি প্ল্যান্ট ধ্বংসের হুমকি দিয়েছেন। এতে তেলের দাম বেড়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত ছড়াচ্ছে।