
মূল্যস্ফীতির চাপ জনগণ কীভাবে সামলাবে
ইরান যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি তেলের বাজারে তেলের সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির জেরে অনেক দেশ তেলের মূল্য বৃদ্ধি করে।

ইরান যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি তেলের বাজারে তেলের সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির জেরে অনেক দেশ তেলের মূল্য বৃদ্ধি করে।

মার্চে জ্বালানি সরবরাহ হলেও মজুত শেষের দিকে। এপ্রিলে সূচি মেনে আমদানি দরকার। ডিজেল নিয়ে সবচেয়ে বেশি উদ্বেগ, সরকার বিকল্প উৎস খুঁজছে।

ইরানের যুদ্ধ বিশ্বকে ভয়াবহ জ্বালানি–সংকটের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে বলে হুঁশিয়ার করেছেন আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) প্রধান ফাতিহ বিরোল।

রবিউল আলম জানান, বর্তমানে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি–সংকট বিরাজ করছে। অনেক উন্নত দেশও কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে। তবুও সরকার জনগণের কথা বিবেচনায় নিয়ে জ্বালানি–সংকট মোকাবিলায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের জরুরি জ্বালানি চাহিদা মেটাতে ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় উন্নয়ন সহযোগীদের কাছে ২০০ কোটি (২ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার সহায়তা চেয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে তেল চলে এল প্রথমে রাশিয়ায়। তারপর ছড়িয়ে পড়ল সারা বিশ্বে। এই তেলই নির্ধারণ করে দিল দুই বিশ্বযুদ্ধে শেষ পর্যন্ত কে জিতবে।

ব্যবসায়ী ও জ্বালানি খাত–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে সরবরাহব্যবস্থায় চাপ পড়তে পারে।

জাতীয় সংসদে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেছেন, তেল শুধু মহান সংসদে। এত পরিমাণ তেল এখানে অপচয় হচ্ছে, বাইরে তেল খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

একটি ট্রাকের চাকার পাশে, রাস্তাতেই চাদর বিছিয়ে বানানো হয়েছে অস্থায়ী শোয়ার জায়গা। একজন সেখানে ঘুমিয়ে আছেন। পাশে জ্বালানো দুটি মশার কয়েল।

চাঁদাবাজির রেট দিন দিন সব সেক্টরে বাড়ছে বলেন জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান।

অনেক দেশের পেট্রল, ডিজেল, তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস ও প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত কমে যাবে। যুদ্ধ আরও দীর্ঘায়িত হলে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলার পর্যন্ত উঠে যেতে পারে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, ‘এখন মধ্যপ্রাচ্যে আমাদের বিশাল সামরিক প্রচেষ্টাকে গুটিয়ে আনার কথা ভাবছি।’