
বিরোধী ও সরকারি দলের কেমন ঐক্য চাই
জাতীয় সংসদকে একটি কার্যকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে হলে যেমন সরকারি দলের দায় রয়েছে, তেমনি বিরোধী ও অন্যান্য দলের নির্বাচিত প্রতিনিধিদেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

জাতীয় সংসদকে একটি কার্যকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে হলে যেমন সরকারি দলের দায় রয়েছে, তেমনি বিরোধী ও অন্যান্য দলের নির্বাচিত প্রতিনিধিদেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত সরকার ব্যয় কমানোর ব্যাপারটা আমলে নিয়েছে মনে হয়। মন্ত্রণালয় বা বিভাগ একীকরণ করে আকার ছোট করার, এবং ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি কেনা স্থগিত করা ও সরকারি প্লট না নেওয়ার উদ্যোগ প্রশংসনীয়, কিন্তু এতগুলো উপদেষ্টা নিয়োগ, তাঁদের বেতন-ভাতা, সুযোগ-সুবিধা দেওয়া কৃচ্ছ্রসাধন নীতির পরিপন্থী।

জুলাই ২০২৪ ও এর পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ প্রত্যক্ষ করেছে তরুণ প্রজন্মের প্রবল উত্থান।

ডোনাল্ড ট্রাম্প একজন একগুঁয়ে স্বভাবের নেতা। তাঁর প্রথম মেয়াদে, ২০২০ সালের ৬ জুলাই তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) থেকে বের করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

শুধু আওয়ামী লীগ নয়, আমার পরিচিত অনেকেই, যাঁরা কোনো দলীয় রাজনীতির সমর্থক নন, তাঁরাও এবার ধানের শীষে ভোট দিয়েছেন। কারণ একটাই, যারা ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনীর দোসর হয়ে গণহত্যায় অংশ নিয়েছিল এবং আজও সেই দায় স্বীকার করার নৈতিক সাহস দেখাতে পারেনি, তাদের ওপর জনগণের আস্থা নেই।

সিয়াম সাধনার মাস রমজান; তাকওয়ার মাস রমজান। সিয়াম হলো ‘সওম’–এর বহুবচন।

বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকারে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান যে প্রধানমন্ত্রী হবেন, সে বিষয়ে কারও সংশয় ছিল না।

এলাকাটি রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনের মধ্যে পড়েছে। এই কেন্দ্রে গোদাগাড়ী উপজেলার রিশিকুল ইউনিয়নের আলোকছত্র, প্রসাদ পাড়া, চকতাঁতীহাটি ও পলাশী গ্রামের ভোটাররা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিতে আসেন। আর স্থানীয় নির্বাচনের বিলাসী নামের আরও একটি গ্রামের মানুষ এই কেন্দ্রে ভোট দিতে আসেন। শুনে অবাক লাগল, কখনোই রাজনৈতিক কারণে এই এলাকার মানুষের মধ্যে কোনো বিভেদের সৃষ্টি হয়নি।

জাতীয় যুবনীতি ২০০৭ অনুসারে, ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সীদের ‘যুব’ হিসেবে গণ্য করা হয়। সে হিসেবে এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটারের ৪২ শতাংশের বেশি ছিল তরুণ।

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এবং সরকারি গেজেটে ফলাফল প্রকাশের পর একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রশ্ন উঠেছে

চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালি) আসন বাংলাদেশের নির্বাচনী রাজনীতিতে বরাবরই একটি কৌতূহলের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই আসনকে অনেকেই রাজনৈতিক ‘ব্যারোমিটার’ বলেন।

মানবাধিকার, সেন্সরশিপবিরোধী অবস্থান এবং সংকটাপন্ন লেখকদের পক্ষে সোচ্চার থাকার ঐতিহ্য বজায় রাখার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।