
যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র কী কী অস্ত্র ব্যবহার করছে
যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র কী কী অস্ত্র ব্যবহার করছে

যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র কী কী অস্ত্র ব্যবহার করছে

ডোনাল্ড ট্রাম্প রাজনৈতিক এই প্রচলিত ধারার ঊর্ধ্বে এক বিস্ময়কর ব্যতিক্রম হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। বারবার তাঁর অসত্য দাবিগুলো ধরা পড়লেও তিনি পিছু হটেননি।

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় তেহরানের প্রাচীন রাফি-নিয়া সিনাগগ ধ্বংস হয়েছে। সোমবার রাতের হামলায় ইরানে অন্তত ১৫ জন নিহত। ইহুদি প্রতিনিধি হোমায়ুন সামেহ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

ট্রাম্প কখনো সমঝোতার কথা বলছেন, আবার কখনো ইরানকে ধ্বংস করার কথা বলছেন। ফলে স্পষ্ট হচ্ছে না, যুক্তরাষ্ট্র আসলে কী চাইছে।

দিয়েগো গার্সিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের একটি যৌথ সামরিক ঘাঁটি নিশানা করে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান।

যুদ্ধ মানেই শুধু সীমান্তে গোলাগুলি, ক্ষেপণাস্ত্র বা কূটনৈতিক উত্তেজনার খবর নয়। যুদ্ধের অর্থ আরও বিস্তৃত।

মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন ইরানের তেল বিক্রির ওপর থেকে ৬০ দিনের জন্য নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে।

তেহরান, তাবরিজসহ ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অনেক এলাকাতেই বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। আরও হামলার আশঙ্কা।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের যৌক্তিকতার অভাব এবং উভয় মিত্রের লক্ষ্যের বিরোধিতা পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছে। ইসরায়েলের নেতানিয়াহু রাজনৈতিক সুবিধার জন্য যুদ্ধকে কাজে লাগাচ্ছেন, কিন্তু এতে ভবিষ্যৎ ঝুঁকি বাড়ছে। মার্কিন সাহায্যের অনিশ্চয়তা ইসরায়েলের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, আগামী সপ্তাহের মধ্যেই তেহরানের সঙ্গে একটি চুক্তি করতে পারবেন বলে আশাবাদী তিনি।

আজ শনিবার ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর এনবিসি নিউজের লাইভে যুক্ত হয়ে এ কথা বলেছেন তিনি।

হরমুজ প্রণালি সচল করতে ইরানের সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে ট্রাম্প প্রশাসন।