
যুদ্ধ নাকি শান্তিচুক্তি, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র কোন পথে হাঁটছে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান শান্তির জন্য প্রস্তাব ও পাল্টা প্রস্তাব দিলেও ছোটখাটো সংঘাত চলছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান শান্তির জন্য প্রস্তাব ও পাল্টা প্রস্তাব দিলেও ছোটখাটো সংঘাত চলছে।

বিশ্ববাজারে তেলের দাম ও যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা। তবে বৃহস্পতিবার দিনভর তেলের দাম ওঠানামা করেছে। আজ শুক্রবার সকালে দাম আরও কমেছে।

আলোচনা নিয়ে দুই পক্ষই নিজের মতো বয়ান দিচ্ছে। তাদের কথা থেকে বোঝার উপায় নেই, আড়ালে কোনো আলোচনা হচ্ছে কি না, হলেও তা কোন পর্যায়ে আছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের তেলশিল্প নিয়ন্ত্রণ নিতে চান বলে ঘোষণা দিয়েছেন। ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এটিকে তাঁর অগ্রাধিকার বলে উল্লেখ করেন। ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতির সঙ্গে এর তুলনা করেছেন ট্রাম্প।

মিনাবের স্কুলে হামলার পর মার্চ মাসে বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত সূত্রের বরাতে রয়টার্স বলেছিল, ওই হামলা সম্ভবত যুক্তরাষ্ট্রের পুরোনো টার্গেটিং তথ্য ব্যবহারের ফলাফল ছিল।

এপ্রিলের যুদ্ধবিরতির শর্তগুলো প্রকাশ করেছিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ

পোপ চতুর্দশ লিও ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের নিন্দা করে বলেছেন, সামরিক শক্তি শান্তি আনে না এবং ঈশ্বর যুদ্ধবাজদের প্রার্থনা শোনেন না। ট্রাম্প প্রশাসনের ধর্মের দোহাইকে তিনি প্রত্যাখ্যান করেছেন। শান্তির পথ সংলাপ ও ধৈর্যশীল সহাবস্থান।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ‘ইরান যুদ্ধ’ শুরু করার পর থেকেই হরমুজ প্রণালির ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে তেহরান।

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ প্রায় শেষ, তবে কয়েক সপ্তাহে আরও কঠোর হামলার ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জাতির উদ্দেশে ভাষণে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু যুদ্ধের পর প্রথম এই ভাষণ। ইরান যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে।

ট্রাম্প-মোদি বৈঠক এবং ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের বর্তমান চ্যালেঞ্জ নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন।

ট্রাম্প ইরানকে এক রাতে নিশ্চিহ্ন করার হুমকি দিয়েছেন, যখন পাকিস্তান যুদ্ধবিরতি ও হরমুজ প্রণালি খোলার পরিকল্পনা পাঠিয়েছে। তেহরান অস্থায়ী বিরতি মানতে নারাজ, পুরোপুরি যুদ্ধবন্ধ চায়। যুদ্ধের ৩৮তম দিনে ব্যাপক হামলায় ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহত বেড়েছে।