
প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ
আজ রোববার সকালে বরিশালের সার্কিট হাউসে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সেল এবং ডিজিটাল ও অবজারভেশন টিমের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় আবুল ফজল এ কথা বলেন।

আজ রোববার সকালে বরিশালের সার্কিট হাউসে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সেল এবং ডিজিটাল ও অবজারভেশন টিমের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় আবুল ফজল এ কথা বলেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর অংশগ্রহণের সম্ভাবনা শেষ হয়ে গেছে বলা চলে। প্রার্থিতা ফিরে পেতে তাঁর করা লিভ টু আপিল খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ। আইনজীবীরা বলছেন, আদালতের এই আদেশের ফলে বিএনপির প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিতে পারছেন না।

জাতীয় নেতা, স্থানীয় প্রার্থী ও আঞ্চলিক সমীকরণে কক্সবাজারের চার আসনে ভোটের হিসাব জটিল হয়ে উঠেছে।

জোটের ছায়া পেরিয়ে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী। ৬৮ আসনে একক জয়, উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে শক্ত অবস্থান।

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দলটির বহু নেতা-কর্মী আত্মগোপনে রয়েছেন, অনেকে কারাগারেও আছেন।

গতকাল কূটনীতিকদের ব্রিফ করেছিল ইসি। সে বিষয়ে ইসি সচিব বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে কূটনীতিকদের ব্রিফিং করা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে অভিযোগ করেছে জামায়াতে ইসলামী।

বেশির ভাগ আসনেই বিএনপির প্রার্থীদের সঙ্গে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটের প্রার্থীদের ভোটের ব্যবধান ব্যাপক ছিল।

আজ মঙ্গলবার সকালে জাতীয় সংসদ ভবনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের আগে আনুষ্ঠানিকভাবে দলীয় এই সিদ্ধান্ত জানান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।

নির্বাচন যেন বিতর্কমুক্ত, শান্তিপূর্ণ থাকে এবং নির্বাচনকে ঘিরে কেউ যেন কোনো সংঘাতময় পরিস্থিতি তৈরি করতে না পারে সেই আহ্বান জানান মাহদী আমিন।

শুরুতে ১১৭ আসনে বিএনপির ১৯০ জনের মতো দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে প্রার্থী হয়েছিলেন। তাঁদের কারও কারও মনোনয়নপত্র বাছাইপর্বে বাতিল হয়েছে। গতকাল অনেকে প্রত্যাহারও করেছেন।

মুক্তকণ্ঠতে প্রকাশিত ‘গণভোটের প্রচার: নির্বাচন কমিশনের মস্ত বড় ভুল নির্দেশনা’ শীর্ষক কলামে ড. বদিউল আলম মজুমদার সম্প্রতি দাবি করেন, নির্বাচনের সাথে সম্পৃক্ত থাকা সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন কর্তৃক প্রেরিত ২৯ জানুয়ারির নির্দেশনাটি ‘সংশ্লিষ্ট আইনের ভুল পাঠের ভিত্তিতে জারি করা হয়েছে’।