
সিলেটে ‘কোটিপতি’ প্রার্থীর ছড়াছড়ি
সিলেটে জামায়াতের চেয়ে বিএনপির প্রার্থীরা বেশি সম্পদশালী। স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ—সব দিক দিয়েই তাঁরা তুলনামূলকভাবে এগিয়ে আছেন।

সিলেটে জামায়াতের চেয়ে বিএনপির প্রার্থীরা বেশি সম্পদশালী। স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ—সব দিক দিয়েই তাঁরা তুলনামূলকভাবে এগিয়ে আছেন।

স্থাবর সম্পদে এগিয়ে আছেন কুমিল্লা-৯ আসনের মো. আবুল কালাম। তাঁর সম্পদের পরিমাণ ৬৫ কোটি টাকা। এরপরই আছেন কুমিল্লা-৭ আসনের রেদোয়ান আহমেদ।

হিসাব করে দেখা গেছে, সুনামগঞ্জের প্রার্থীরা নির্বাচনে ব্যয় করবেন ৮ কোটি ৪৩ লাখ ২৬ হাজার ৪২৭ টাকা।

একরামুজ্জামান নির্ভরশীল ব্যক্তিসহ ১২টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের জন্য ২ হাজার ৯৩৪ কোটি ৯৯ লাখ ৫৩ হাজার টাকার ঋণ রয়েছে।

আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক মো. আসাদুজ্জামান ভূঁইয়ার (ফুয়াদ) বছরে আয় ৭ লাখ ৪১ হাজার ৬০২ টাকা। এর মধ্যে তিন লাখ ২৬ হাজার টাকা টিভি টক শো, ইউটিউব ও ফেসবুক থেকে আয় করেছেন তিনি। হলফনামার তথ্য/

মঞ্জুর বার্ষিক আয়ের অর্ধেক টক শো থেকে

গত সাত বছরে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও বরিশাল–৫ আসনের দলীয় প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ারের ঘোষিত আয় ও স্থাবর সম্পদ কমলেও অস্থাবর সম্পদে উল্লেখযোগ্য উল্লম্ফন ঘটেছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস তাঁর অস্থাবর সম্পত্তির দাম ৭০ কোটি টাকা দেখিয়েছেন মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া হলফনামায়। স্থাবর সম্পত্তির বর্তমান মূল্য দেখিয়েছেন ‘অজানা’, তবে এর অর্জনকালীন দাম দেখিয়েছেন পৌনে চার কোটি টাকা। সেই সঙ্গে ২৫ কোটি টাকা

সাধারণ মানুষের কাছ থেকে সংগ্রহ করা প্রায় ৪৭ লাখ টাকা ব্যয় করে নির্বাচনের খরচ চালাবেন ঢাকা–৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া তাসনিম জারা।

অনুদানের টাকা নির্বাচনে ব্যয় করবেন তাসনিম জারা

শিশির মনিরের তুলনায় স্ত্রীর আয় দ্বিগুণ

জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ শিশির মনিরের বছরে আয় ৫২ লাখ টাকা। স্ত্রীর আয় তাঁর চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ, অস্থাবর সম্পদ তিন গুণের বেশি।