
হরমুজ প্রণালি নিয়ে যে গোপন এজেন্ডা ইসরায়েলের
যুদ্ধের বিস্তার এবং আমেরিকান ঘাঁটি থাকা দেশগুলোতে ইরানের পাল্টা হামলা বিশ্বজুড়ে বড় ধরনের অর্থনৈতিক বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।

যুদ্ধের বিস্তার এবং আমেরিকান ঘাঁটি থাকা দেশগুলোতে ইরানের পাল্টা হামলা বিশ্বজুড়ে বড় ধরনের অর্থনৈতিক বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ শুরুর পর থেকে হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা হয়েছে।

হরমুজ প্রণালী সচল রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। জাতিসংঘে প্রস্তাব তুলে সামরিক সহায়তার পথ খুঁজছে আমিরাত। উপসাগরীয় দেশগুলো যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।

যুদ্ধ বন্ধে একটি শান্তিচুক্তিতে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। এই চুক্তিতে যে ১৪ বিষয় থাকছে, তার বিস্তারিত প্রকাশ করেছে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম।

ট্রাম্প আবারও যুদ্ধে নিজেদের বিজয় দাবি করেছেন।

হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল করা জাহাজগুলোকে অবশ্যই ইরানের পূর্বঘোষিত ‘নিরাপদ লেন’ ব্যবহার করতে হবে।

হরমুজ প্রণালি বিশ্বের ২০ শতাংশ তেল-গ্যাস পরিবহনের পথ হলেও এর ভূতাত্ত্বিক ইতিহাস আরও বিস্ময়কর। আরব্য ও ইউরেশীয় প্লেটের সংঘর্ষ এখানে পর্বতমালা, তেলভান্ডার ও অনন্য ভূপ্রকৃতি গড়ে তুলেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি ধীরে ধীরে সংকুচিত হলেও বন্ধ হতে ১ কোটি বছর লাগবে।

হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বে সমুদ্রপথের প্রায় ২০ থেকে ৩০ শতাংশ জ্বালানি তেল ও এলএনজি পরিবাহিত হয়।

হরমুজ প্রণালি দিয়ে অপরিশোধিত তেলবাহী জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে ইরানের সঙ্গে আলোচনা করছে চীন।

হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়ার সময় একটি মার্কিন তেল ট্যাংকার লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের (আইআরজিসি) নৌবাহিনী।

বিশ্বের মোট জ্বালানির এক–ষষ্ঠাংশ এবং এলএনজির এক–তৃতীয়াংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়ে থাকে।

হরমুজ প্রণালিতে মাইন অপসারণে তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান।