
স্বস্তির চুক্তি, নাকি ভবিষ্যতের বোঝা: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য সমঝোতার অর্থনীতি
নিয়মভিত্তিক ব্যবস্থায় এলডিসিভুক্ত দেশগুলো অগ্রাধিকারমূলক সুবিধা পেত। কিন্তু এই দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যব্যবস্থায় সেগুলো থাকছে না।

নিয়মভিত্তিক ব্যবস্থায় এলডিসিভুক্ত দেশগুলো অগ্রাধিকারমূলক সুবিধা পেত। কিন্তু এই দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যব্যবস্থায় সেগুলো থাকছে না।

বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘আশা করছি ৯ তারিখে যে চুক্তি হবে, তাতে শুল্কহার কমবে। তবে কতটুকু কমবে, তা এই মুহূর্তে আমি বলতে চাচ্ছি না বা পারছি না।’

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান অবশেষে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে। চুক্তি অনুযায়ী, আগামী ৬০ দিন তেহরান কোনো শুল্ক বা টোল ছাড়াই জাহাজগুলোকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের অনুমতি দেবে; যার বিনিময়ে ওয়াশিংটন তাদের নৌ-অবরোধ তুলে নেবে, ইরানের তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করবে এবং ইরানের জব্দ করা অর্থ ফেরত পাওয়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করবে। একই সঙ্গে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনাও শুরু হতে যাচ্ছে।

ভারতের বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের আজই ওয়াশিংটনের উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা ছিল।

যুক্তরাষ্ট্র যে ভারতের পণ্যে অতিরিক্ত বা শাস্তিমূলক শুল্ক আরোপ করেছিল, তা প্রত্যাহার করা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই চুক্তি দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্কে নতুন গতি আনবে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, দক্ষিণ কোরিয়া ‘বাণিজ্য চুক্তি মানছে না’, তাই এ সিদ্ধান্ত।

ইইউ ও ভারতের মূল লক্ষ্য হলো, দীর্ঘ ২০ বছর ধরে ঝুলে থাকা ‘মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি’ (এফটিএ) চূড়ান্ত করা। ট্রাম্পের শুল্কনীতিও তাদের এ ক্ষেত্রে উৎসাহিত করছে।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেছেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি উভয় দেশের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও ভোক্তাদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।

ট্রাম্পের শুল্কারোপের ঘোষণা মূলত ইউরোপের বর্তমান বাস্তবতাকে উপেক্ষা করছে। বাস্তবতা হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইউরোপের সদস্যদেশগুলোর আলাদা কোনো বাণিজ্য চুক্তি নেই।