
সমন্বিত পরিকল্পনা দরকার
কয়েক মৌসুম ধরে যে ফসলের দাম নিয়ে দেশের বৃহৎ ভোক্তাসমাজে কোনো হা–হুতাশ দেখা যায়নি, আলু সেই ফসলের নাম।

কয়েক মৌসুম ধরে যে ফসলের দাম নিয়ে দেশের বৃহৎ ভোক্তাসমাজে কোনো হা–হুতাশ দেখা যায়নি, আলু সেই ফসলের নাম।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ: ভারতকে বড় ধাক্কা, বিসিবি অনড়

গত বছরের একই সময়ের কোম্পানিটি লোকসান করেছিল ৩৫ কোটি টাকা। সেই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে সিঙ্গার বাংলাদেশের লোকসান বেড়েছে ২১ কোটি টাকা।

গত বছর আলু চাষ করে বড় লোকসান গুনেছেন মাসুম মিয়া। ১০ একর জমিতে আলু চাষ করে লোকসান হয়েছে ১৮ লাখ টাকা।

বর্তমানে প্রতি মণ পেঁয়াজ ৮০০ থেকে ৯০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অথচ উৎপাদন খরচই ১ হাজার ৬০০ থেকে ১ হাজার ৭০০ টাকা। সংরক্ষণ ব্যয় যোগ হলে পুরোপুরি লোকসান গুনতে হচ্ছে।

টানা লোকসান, কাঁচামাল–সংকট ও ঋণপত্র (এলসি) জটিলতায় স্থায়ীভাবে বন্ধ ঘোষণার পর চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন বরিশালের অলিম্পিক সিমেন্ট অ্যান্ড ফাইবার লিমিটেড কারখানার তিন শতাধিক শ্রমিক-কর্মচারী।

মরিচ না তুললে গাছের ক্ষতি হয় এবং পরবর্তী ফলন কমে যেতে পারে। তাই বাধ্য হয়ে লোকসান দিয়েই মরিচ তুলছেন তাঁরা।

কক্সবাজারে তীব্র গরম, ঘন ঘন লোডশেডিং ও জ্বালানিসংকটে হিট স্ট্রোকে মুরগি মারা যাচ্ছে। দুই হাজারের বেশি পোলট্রি খামার বন্ধ হয়েছে এবং উৎপাদন খরচ বেড়ে লোকসান বাড়ছে। খামারিরা জেনারেটর চালাতে অক্ষম হওয়ায় মুরগির মৃত্যুর হার বেড়েছে।

টানা বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ায় কক্সবাজার উপকূলের প্রায় ৬০ হাজার একর লবণের মাঠে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। মৌসুমের শেষ সময়ে এমন পরিস্থিতিতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন প্রায় ৪২ হাজার প্রান্তিক চাষি। উৎপাদন বন্ধ থাকায় লোকসান গুনে অনেকেই সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন।

ঢাকার আশপাশে নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরে তীব্র লোডশেডিংয়ে শিল্পকারখানার উৎপাদন কমে যাচ্ছে, ব্যাহত হচ্ছে সেচ ও জনজীবন। বিদ্যুতের ঘাটতির কারণে প্রতিদিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎবিহীন থাকছে মানুষ, বাড়ছে ভোগান্তি ও লোকসান।

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম অস্থির, দেশে আমদানি খরচ বেড়ে লোকসান হচ্ছে হাজার কোটি টাকা। যুদ্ধবিরতিতে দাম কমলেও অনিশ্চয়তায় আবার বেড়েছে। সুফল পেতে সময় লাগবে বলছেন খাতের সংশ্লিষ্টরা।

আলু চাষ করে গত মৌসুমে লোকসান গুনেছিলেন চন্দনাইশের কৃষক মো. হারুন। তাই এবার ঝুঁকি কমাতে জমি কমিয়েছেন। ২০ শতক জমিতে আলু লাগিয়েছিলেন। ইতিমধ্যে প্রায় ৬০০ কেজি আলু তুলেছেন মাঠ থেকে। কিন্তু বিক্রি করতে গিয়ে দেখেছেন, হিসাব মিলছে না।