
ভিন্নমত গ্রহণ করতে না পারা দেশের বড় সংকট
আলোচনায় এসেছে, নির্বাচনের পর ফলাফল মেনে নেওয়ার সংস্কৃতি দেশে দুর্বল। যারা পরাজিত হয়, তারা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার পথেই হাঁটে।

আলোচনায় এসেছে, নির্বাচনের পর ফলাফল মেনে নেওয়ার সংস্কৃতি দেশে দুর্বল। যারা পরাজিত হয়, তারা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার পথেই হাঁটে।

রাজধানীর তোপখানা রোডে বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের আলোচনাসভায় সাংস্কৃতিক ফ্যাসিবাদকে রাজনৈতিক ফ্যাসিবাদের চেয়ে ভয়াবহ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিশিষ্ট বক্তারা জুলাই-পরবর্তী রাজনৈতিক নেতাদের ভাষণে সংস্কৃতির অনুপস্থিতি তুলে ধরে আত্মপরিচয়ের সংকটের কথা বলেন। আবুল মনসুর আহমদের দর্শন অনুসরণ করে সাংস্কৃতিক সংস্কারের আহ্বান জানানো হয়।

সংস্কৃতি বিষয়ে নতুন সরকারের কাছে টেলিভিশন, চলচ্চিত্র, সংগীত ও নাট্যাঙ্গনের মানুষদের অনেক প্রত্যাশা। তাঁরা চান—স্বচ্ছ নীতি, স্বাধীন কর্মপরিবেশ আর যোগ্যতার ভিত্তিতে মূল্যায়ন।

কোনো রাজনৈতিক দলের ছাত্রসংগঠন যেন আগের মতো হল দখল, গণরুম-গেস্টরুম সংস্কৃতি চালু করতে না পারে, এটিই শিক্ষার্থীদের চাওয়া।

মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন তাদের মে মাসের প্রতিবেদনে জানিয়েছে মব সহিংসতায় ৩২ জন নিহত হয়েছে।

এখানে সাহিত্য, ভাষা, শিক্ষা, ধর্ম, গ্রাম-শহর সম্পর্ক এবং রাজনৈতিক আন্দোলন—সবই কালচারের আলোকে বিশ্লেষিত হয়েছে।

জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের সহধর্মিণী সিদ্দিকা জামান তার স্মৃতিতে লিখেছেন, তাঁর সঙ্গে বিবাহিত জীবন ছিল প্রায় ৫৯ বছরের। ভাষা আন্দোলন থেকে স্বাধীনতা যুদ্ধ, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনে তাঁর অবদানের স্মৃতি তুলে ধরেছেন। অন্যরা তাঁর স্মৃতি সংরক্ষণে যত্নশীল হয়ে উঠেছে।

সংস্কৃতিমন্ত্রী অভিযোগ করেন, ফ্যাসিবাদী সরকার সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে কাঠামো দুর্বল করেছিল।

গত দেড় দশকে দেশে নতুন ১৬টি ব্যাংক অনুমোদন পেয়েছে। সংসদে খোদ অর্থমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্য অনুযায়ী, এগুলোর বেশির ভাগই রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। কোনো সন্দেহ নেই, বাংলাদেশের মতো ছোট বাজারে এত বেশি ব্যাংক থাকায় আন্তব্যাংক প্রতিযোগিতা বেড়েছে। ফলে অনেক ব্যাংক ঝুঁকিপূর্ণ ঋণ দিতে বাধ্য হয়েছে। একই সঙ্গে মন্দ ঋণ ও অর্থ পাচারের সংস্কৃতি গড়ে ওঠায় অনেক ব্যাংকই এখন ‘লাইফ সাপোর্টে’ আছে।

ছাত্রশিবির নেতা সাইফুল্লাহ হত্যার জন্য বিএনপিকে দায়ী করে নূরুল ইসলাম বলেন, গাইবান্ধায় তাঁর ওপর বর্বরোচিত ও কাপুরুষোচিত হামলা কোনো সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশ নয়।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ দেশে পুনরায় মব সন্ত্রাস, সহিংসতা ও প্রতিহিংসামূলক রাজনৈতিক সংস্কৃতির ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি মানুষের আস্থা কমছে বলে তারা মন্তব্য করেছে। সরকারের কাছে দোষীদের শাস্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।