
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির আগমুহূর্তে বৈরুতে ইসরায়েলের হামলা
২ মার্চ থেকে ইসরায়েলের হামলায় লেবাননে ৩ হাজার ৬০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।

২ মার্চ থেকে ইসরায়েলের হামলায় লেবাননে ৩ হাজার ৬০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।

ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে যুক্তরাষ্ট্রের এ অভিযানে ৫০ হাজারের বেশি মার্কিন সেনা, দুটি বিমানবাহী রণতরি ও বোমারু বিমান অংশ নিচ্ছে।

হোয়াইট হাউস গত শনিবার বলেছে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র–সক্ষমতা কার্যত ধ্বংস হয়ে গেছে।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতির চুক্তিতে লেবানন অন্তর্ভুক্ত নয়। এতে ইসরায়েল লেবাননে সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখতে পারবে। দক্ষিণ লেবাননে তারা অভিযান ত্বরান্বিত করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলার দাবির মধ্যে গতকাল পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর তেহরান সফরের কথা সংবাদমাধ্যমে এসেছে।

যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে গত ১৭ জুন একটি সমঝোতায় সই করেন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টরা।

ধরা হয়েছিল, গত বছরের জুনে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ১২ দিনের সংঘাতে ইরান সরকার কষ্টকর কিছু শিক্ষা পেয়েছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানে নতুন করে হামলা চালিয়েছে। ইরানের বন্দরনগরী বন্দর আব্বাসের পূর্বাঞ্চলে তিনটি বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা চলাকালেই এই জরিপ চালানো হয়। এই অভিযানে কোনো মার্কিন সেনার হতাহতের খবর আসার আগেই জরিপের কাজ শেষ হয়।

গত শনিবার ইরানে হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল।

ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চল ও কয়েকটি উপসাগরীয় আরব দেশে বিস্ফোরণ হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা সত্ত্বেও ইরানের বর্তমান সরকার টিকে যেতে পারে।