
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘গোপন’ চুক্তি নিয়ে ব্যবসায়ীদের প্রশ্ন, উদ্বেগ
ভোটের মাত্র তিন দিন আগে ৯ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্ক চুক্তি করতে যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার।

ভোটের মাত্র তিন দিন আগে ৯ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্ক চুক্তি করতে যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার।

ইউরোপের ডিজিটাল করনীতি নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। মার্কিন প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর ওপর কর আরোপ ঠেকাতে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন ট্রাম্প।

ট্রাম্প যত চেষ্টাই করুন না কেন, যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কের ঘাটতি বেড়েই চলেছে। ২০২৫ সালে তা ২ দশমিক ১ শতাংশ বেড়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের ৬ বিচারপতির ওপর চটেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে হওয়া বাণিজ্যচুক্তি বাস্তবায়ন এবং যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ হয়ে পড়া বাংলাদেশের নাগরিকদের দ্রুত ফেরানোর বার্তা দিয়ে গেছেন সহকারী মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর।

বাংলাদেশসহ ৬০টি দেশের পণ্যে আরও ১০ থেকে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। নতুন এই শুল্ক আরোপের কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্য আমদানি কমাতে ব্যর্থ হয়েছে এই দেশগুলো।

অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা বাণিজ্যচুক্তিতে ‘গোলামির চরিত্র’ প্রকাশ পেয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম।

মেক্সিকো, চীন, কানাডা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের পণ্যে আরোপিত বাড়তি শুল্কের প্রায় ৯০ শতাংশই বহন করেছে মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলো।

চুক্তিটি কার্যকর করতে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউভুক্ত দেশগুলোর অনুমোদন দরকার।

যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক বাজারে চীনের রপ্তানি ৫৩ শতাংশ কমলেও বাংলাদেশ দ্বিতীয় স্থান ধরে রেখেছে। চলতি বছরের জানুয়ারি-মার্চে বাংলাদেশ ২০৪ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি করে। শীর্ষ পাঁচ দেশের মধ্যে শুধু ভিয়েতনামের রপ্তানি বেড়েছে।


বাংলাদেশের ওপর আরোপিত ২০ শতাংশ পাল্টা শুল্ক নিয়ে সমঝোতা হিসেবে ৯ ফেব্রুয়ারি ওয়াশিংটনে এই চুক্তি হবে। চুক্তি হচ্ছে জাপানের সঙ্গেও।