
অমুসলিমদের জন্য প্রার্থনা করা কি নিষেধ
ব্যক্তি জীবিত না মৃত এবং তার জন্য দুনিয়া না আখেরাতের কল্যাণ চাওয়া হচ্ছে—এই পার্থক্যের ওপর ভিত্তি করে শরিয়তের বিধান ভিন্ন ভিন্ন হয়।

ব্যক্তি জীবিত না মৃত এবং তার জন্য দুনিয়া না আখেরাতের কল্যাণ চাওয়া হচ্ছে—এই পার্থক্যের ওপর ভিত্তি করে শরিয়তের বিধান ভিন্ন ভিন্ন হয়।

ইসলামের মৌলিক উৎস কোরআন ও সুন্নাহ নারীকে পুরুষের অনুগামী নয়, পরিপূরক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। জাহেলি যুগের নৃশংস প্রথা উৎখাত করে নারীকে সম্মান ও স্বাধীনতা দিয়েছে। কোরআনের আয়াতগুলো এই সমতার সাক্ষ্য বহন করে।

অষ্টম শতাব্দীর বসরায় জন্মগ্রহণকারী হযরত রাবেয়া বসরি দারিদ্র্য ও দাসত্ব সত্ত্বেও খোদাপ্রেমের ‘হুব্ব’-ভিত্তিক দর্শন প্রচার করেন। তাঁর জীবন সুফিবাদে প্রেমের নতুন মাত্রা যোগ করে। এই প্রতিবেদনে তাঁর জীবন ও শিক্ষার বিবরণ পাওয়া যাবে।

প্রতিটি দায়িত্বই একটি আমানত। আর আমানতের যথার্থ হক আদায় করা ইসলামের মৌলিক শিক্ষা। পক্ষান্তরে দায়িত্ব পালনে অবহেলা প্রদর্শন সেই আমানত খেয়ানতের নামান্তর।

ইসলামের প্রথম যুগে নারী সাহাবিরা হস্তশিল্প, ব্যবসা, কৃষি, চিকিৎসা ও যুদ্ধসেবায় সক্রিয় ছিলেন। পরিবারের সহায়তা ও সদকার উদ্দেশ্যে তাঁরা শালীনতা রক্ষা করে কর্মজীবী হয়েছিলেন। হাদিস ও ঐতিহাসিক বর্ণনায় তাঁদের ভূমিকা স্পষ্ট।

নবীজি (সা.) মুসলিম উম্মাহর ধ্বংসের কারণ হিসেবে দুনিয়ার প্রাচুর্য, গুপ্ত শিরক, সমকামিতা, ব্যভিচারসহ বিভিন্ন বিষয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। হাদিসের আলোকে এই সতর্কতাগুলো উম্মতকে সঠিক পথে রাখার মানদণ্ড। প্রকৃত নবীপ্রেম এই শিক্ষাগুলো জীবনে অবলম্বন করা।

ইসলামে মানুষের মর্যাদা তাকওয়া দ্বারা বিচার হয়, বংশ বা রূপ নয়। সাহাবি জুলাইবিব (রা.)-এর ঘটনা এর উজ্জ্বল উদাহরণ। কোরআন ও হাদিস থেকে সাম্যের শিক্ষা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

ইসলামে অত্যাচারীর বিরুদ্ধে বদদোয়া করা জায়েজ, তবে শরিয়ত নির্দিষ্ট সীমা ও নিয়ম দিয়েছে। কোরআন, হাদিস ও আলেমদের মতামত থেকে এর বিধান বোঝা যায়। মজলুমের জন্য এটি একটি শক্তিশালী হাতিয়ার, কিন্তু সীমালঙ্ঘন নিষিদ্ধ।

বিয়ের বিলম্বে অনেকে নির্দিষ্ট দোয়া খোঁজেন, কিন্তু ইসলামে এর জন্য কোনো ধরাবাঁধা দোয়া নেই। পরীক্ষায় ধৈর্য ধরে আল্লাহর ফয়সালায় সন্তুষ্ট থাকাই মুমিনের করণীয়। কোরআন, হাদিস ও আলেমদের উক্তি থেকে জানুন বিস্তারিত।

মধ্যযুগের মুসলিম বিজ্ঞানী আল-বাত্তানি ত্রিকোণমিতি ও জ্যোতির্বিজ্ঞানে অসাধারণ অবদান রেখেছিলেন। তাঁর সূর্যবছরের হিসাব আধুনিক মাপকাঠির কাছাকাছি এবং কোপারনিকাসসহ অনেক বিজ্ঞানী তাঁকে সম্মান করেছেন। চাঁদের একটি এলাকা এবং স্টার ট্রেকের মহাকাশযান তাঁর নামে নামকরণ করা হয়েছে।

রমজান শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেকে পুরনো অনৈতিক অভ্যাসে ফিরে যান, মসজিদ ফাঁকা হয়ে যায়। এটি ‘রমজানি’ মানুষের চিহ্ন, যাদের ইবাদত এক মাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ। সত্যিকারের ‘রব্বানি’ হতে হলে সারা বছর ধর্মানুশীলন অব্যাহত রাখতে হবে।

তকদিরের দোহাই দিয়ে দোয়া থেকে বিরত থাকা ঠিক নয়। কারণ দোয়া নিজেই ভাগ্যের একটি অংশ। আল্লাহর ভাণ্ডারে কোনো কিছুর কমতি নেই।